বুধবার (২৩ ডিসেম্বর) বাস রুট রেশনালাইজেশন কমিটির নিকট আন্তঃজেলা বাস টার্মিনালগুলোর জন্য প্রস্তাবিত স্পটগুলোর মধ্যে কয়েকটি স্পট পরিদর্শনে গিয়ে উত্তরার বাটুলিয়া এলাকায় তিনি এ কথা জানান।
টার্মিনালের জন্য নির্ধারিত স্পটগুলো হচ্ছে, বাটুলিয়া, হেমায়েতপুর, কেরানীগঞ্জ ও কাঁচপুর। এসময় মেয়রের সঙ্গে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলামও উপস্থিত ছিলেন।
প্রসঙ্গত, উত্তরার বাটুলিয়া টার্মিনাল হবে ১৪.৫৩ একর। তাতে ইনার রিং রোড, বৃত্তাকার রেল ও নৌপথ, এমআরটি লাইন-৬, এমআরটি লাইন-৪ ও ঢাকা আশুলিয়া রুটে চলাচলকারী গণপরিবহন অবস্থান করবে। হেমায়েতপুর টার্মিনালের আয়তন হবে ৩৬.৫০ একর। এতে ঢাকা-আরিচা হাইওয়ে এবং এমআরটি লাইন-৫ রুটের গণপরিবহন অবস্থান করবে। কেরানীগঞ্জের বাঘৈর টার্মিনালের আয়তন হবে ৩৩.৬৩ একর। এতে ঢাকা-মাওয়া হাইওয়ের বাসগুলো অবস্থান করবে।
কাঁচপুর উত্তর টার্মিনালের আয়তন হবে ১৫.৪৬ একর। এতে ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ে এবং ঢাকা-সিলেট হাইওয়ে রুটের গণপরিবহন থাকবে। কাঁচপুর দক্ষিণ মদন টার্মিনালের আয়তন হবে ২৭.৭১ একর। এই টার্মিনালে মধ্য রিং রোড, ঢাকা-চট্টগ্রাম হাইওয়ে রুটের বাসগুলো অবস্থান করবে। আটিবাজারের ভাওয়াল টার্মিনালের আয়তন হবে ২৫. ৭৮ একর। এতে আটিবাজার কলটিয়া রোড ও মিডল রিং রোডে চলাচলকৃত গণপরিবহন অবস্থান করবে।