রাজধানীর যাত্রাবাড়ী থানার শনির আখড়া এলাকার একটি বাড়িতে ঢুকে মা ও মেয়েসহ তিন জনকে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা করেছে এক ব্যক্তি। আহতদের ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
রবিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে শনির আখড়ার শেখদী এলাকার একটি বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
আহতরা হলেন— মা ইয়াসমিন আক্তার (৩৫), মেয়ে মাহমুদা মেহেরিন (১৫) এবং তাদের প্রতিবেশী রুহুল কুদ্দুস বাবু (৪৫)।
আহত মাহমুদা মেহেরিন ওই এলাকার ব্রাইট স্কুল অ্যান্ড কলেজের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী এবং বাবু পেশায় একটি হোটেলের ম্যানেজার।
ঢামেক হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আহত মা ইয়াসমিন জানান, পরান নামের এক লোক পূর্ব শত্রুতার জের ধরে রবিবার সন্ধ্যায় বাসার দরজায় নক করলে তার মেয়ে দরজার কাছে যায়। তখন পরান চাপাতি দিয়ে মেহেরিনের ডান হাতে কোপ দেয়। মেয়ের চিৎকারে ইয়াসমিন এগিয়ে গেলে তার মাথায় কোপ দেয়। এর আগে একই ব্যক্তি প্রতিবেশী বাবুকেও কুপিয়ে গুরুতর আহত করে।
আহতাবস্থায় তিন জনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসেন প্রতিবেশী ও স্বজনরা। তাদের চিকিৎসা চলছে।
আহত ইয়াসমিন নোয়াখালীর চৌমহনী উপজেলার মাসুদ কিবরিয়ার স্ত্রী। দুই ছেলে ও এক মেয়েকে নিয়ে তিনি দুই নম্বর শনির আখড়ার শেখদীতে একটি ছয় তলা ভবনের পাঁচ তলায় ভাড়া থাকেন।
বিষয়টি স্থানীয় থানা পুলিশকে জানিয়েছে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের পুলিশ ফাঁড়ির সদস্যরা।