করোনাভাইরাস মহামারি থেকে সুরক্ষা, দেশের শান্তি-সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া অনুষ্ঠিত হয়েছে শবে মেরাজে। বিগত বছরগুলোতে রাতে মাহফিল ও মিলাদ অনুষ্ঠিত হলেও এবার তা হয়েছে ভিন্ন রকমভাবে। বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে দুপুরেই শবে মেরাজের বিশেষ আলোচনা ও দোয়া অনুষ্ঠিত হয়। রাজধানীর বিভিন্ন মসজিদে আসর, মাগরিবসহ এশার নামাজের পর মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করা হয়। শবে মেরাজের রাতে মুসলমানরা ঘরে ও মসজিদে ইবাদত করেন।
বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) বাদ জোহর পবিত্র শবে মেরাজ হিজরি উদযাপন উপলক্ষে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে দোয়া ও মুনাজাত অনুষ্ঠিত হয়েছে। ইসলামিক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ‘মিরাজুন্নবী (সা)’ এর গুরুত্ব ও তাৎপর্য শীর্ষক আলোচনা সভাও অনুষ্ঠিত হয়। শবে মেরাজের গুরুত্ব সম্পর্কে আলোচনা করেন— বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের সাবেক পেশ ইমাম হাফেজ মাওলানা রফিক আহমাদ ও জামেয়া ইসলামিয়া মাদরাসার শায়খুল হাদীস ড. মাওলানা মুশতাক আহমদ।
গত ১২ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশের আকাশে ১৪৪২ হিজরি সালের পবিত্র রজব মাসের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে ১৩ ফেব্রুয়ারি পবিত্র জমাদিউস সানি মাস ৩০ দিন পূর্ণ হয়। ১৪ ফেব্রুয়ারি থেকে পবিত্র রজব মাস শুরু হয়। সেই হিসেবে ১১ মার্চ বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে পবিত্র শবে মেরাজ। ইসলাম ধর্ম মতে, মহানবী (স) এর ৫১ বছর বয়সে মেরাজের ঘটনা ঘটে। আল্লাহ পৃথিবী থেকে রসুল (সা.)-কে বিশেষ বাহনের (বোরাক) মাধ্যমে প্রথম আসমান থেকে একে একে সপ্তম আসমান, জান্নাত-জাহান্নাম পরিদর্শন করান। নবী করিমের (স.) এই মেরাজ রাতে ইবাদত করেন মুসলমানরা।