নতুন বাজেটে নবম পে-স্কেল ঘোষণাসহ ৮ দফা দাবি জানিয়েছে ১১-২০ গ্রেডের সরকারি চাকরিজীবীদের সংগঠন ‘সম্মিলিত অধিকার আদায় ফোরাম’।
শুক্রবার (১১ জুন) জাতীয় প্রেস ক্লাবের মাওলানা মোহাম্মদ আকরাম খাঁ হলে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে তারা এসব দাবি জানান।
সংবাদ সম্মেলনে ফোরামের সাধারণ সম্পাদক মাহমুদুল হাসান বলেন, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে আট দফা দাবি বাস্তবায়নে যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা না হলে আগামী ১৮ জুন জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন কর্মসূচী পালন করা হবে। পাশাপাশি ফোরামের প্রতিনিধি দল থেকে সরাসরি প্রধানমন্ত্রী বরাবরে আবার স্মারকলিপি প্রদান করা হবে।
সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনর পক্ষ থেকে আট দফা দাবি জানানো হয়। দাবিগুলো হচ্ছে— স্থায়ী পে কমিশন গঠন করে ৯ম পে-স্কেল ঘোষণার মাধ্যমে বেতন বৈষম্য নিরসনসহ গ্রেড অনুযায়ী বেতন স্কেলের পার্থক্য সমহারে নির্ধারণ করতে হবে। গ্রেড সংখ্যা কমাতে হবে। পে-স্কেল বাস্তবায়নের পূর্বে অন্তর্বর্তীকালীন সময় যৌক্তিক পরিমাণে মহার্ঘ ভাতা প্রদান করতে হবে। এক ও অভিন্ন নিয়োগ বিধি বাস্তবায়ন করতে হবে। সকল পদে পদোন্নতি বা পাঁচ বছর পর পর উচ্চতর গ্রেড প্রদান করে ব্লক পোস্ট নিয়মিতকরণ করতে হবে। টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড পুনঃবহালসহ বেতন জ্যেষ্ঠতা বজায় রাখতে হবে। সচিবালয়ের ন্যায় সচিবালয়ের বাহিরে সকল দফতর, অধিদফতর এবং পরিদফতরে পদবী ও গ্রেড পরিবর্তন করতে হবে। সকল ভাতা বাজার চাহিদা অনুযায়ী পুনঃনির্ধারণ করতে হবে। নিম্ন বেতনভোগীদের জন্য রেশনের ব্যবস্থা করতে হবে। বিদ্যমান গ্রাচুইটি, আনুতোষিকের হার ৯০ শতাংশের স্থলে ১০০ শতাংশ পুনঃনির্ধারণ করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন ফোরামের সভাপতি লুৎফর রহমান, কার্যকরী সভাপতি কাজী ফাহাদুর রহমান রাজু, সিনিয়র সহসভাপতি শফিকুল ইসলাম খান, সহসভাপতি জাহাঙ্গীর হোসেন, মো. মোফাজ্জল হোসেন, ঢাকা মহানগরের সভাপতি মোহাম্মদ আলী প্রমুখ।