লকডাউনের প্রথম দিনেই প্রবাসী কর্মীদের শঙ্কা সত্য হলো। বিদেশগামী যাত্রী পাসপোর্ট, টিকিট দেখিয়ে গাড়ি ভাড়া করে বিমানবন্দরে যেতে পারবেন। কিন্তু সেই বিদেশগামী যাত্রীকে বিমানবন্দরে নামিয়ে দিয়ে গাড়িটি কীভাবে নিজ গন্তব্যে ফিরবে, সে প্রশ্নের কোনও উত্তর ছিলো না সরকারের প্রজ্ঞাপনে।
লকডাউনের প্রথম দিনেই বিপত্তিতে বিদেশ থেকে আসা যাত্রীরা। বিমানবন্দরের যাত্রীদের জন্য বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) অনুমোদিত রেন্ট-এ কারের গাড়িকে পুলিশ মামলা দেওয়া কর্মবিরতি পালন করেছে সব গাড়িচালকরা। তবে আগামীতে আর হয়রানির শিকার হবে না- বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের আশ্বাসে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করে তারা।
জানা গেছে, বৃহস্পতিবার (১ জুলাই) সকাল থেকে বিভিন্ন স্থানে বিমানবন্দরের রেন্ট-এ কার সেবার কমপক্ষে ১৫টি গাড়িকে মামলা দেয় পুলিশ। এ খবরে সকল গাড়িচালক সকাল সাড়ে ৯টা থেকে কর্মবিরতি শুরু করে। এতে বিপত্তি পড়েন বিদেশ থেকে আসা যাত্রীরা। বিমানবন্দরের রেন্ট-এ কারের গাড়িগুলোকে আর মামলা দেওয়া হবে না, এমন আশ্বাস দিলে সকাল ১১টার দিকে কর্মবিরতি প্রত্যাহার করেন গাড়িচালকারা।
করোনা সংক্রমণ রোধে বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া যাওয়া ৭ দিনের লকডাউনের আওতামুক্ত থাকবে আইন-শৃঙ্খলা এবং জরুরি সেবার সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো। বুধবার (৩০ জুন) জারি করা প্রজ্ঞাপনে এ বিষয়ে উল্লেখ করা করা হয়েছে। প্রজ্ঞাপনে আন্তর্জাতিক ফ্লাইট চালুর রাখার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। বিদেশগামী যাত্রীরা তাদের আন্তর্জাতিক ভ্রমণের টিকেট প্রদর্শন করে গাড়ি ব্যবহারপূর্বক যাতায়াত করতে পারবে। তবে অভ্যন্তরীণ ফ্লাইটসহ সড়ক, রেল ও নৌ-পথে গণপরিবহন ও সকল প্রকার যন্ত্রচালিত যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকবে।
বিমানবন্দরে রেন্ট-এ কার সেবার প্রতিষ্ঠানের পরিচালনার দায়িত্বে মো. বাদশা বলেন, দেশের বিভিন্ন স্থানে গাড়িতে মামলা দিচ্ছে। কোথাও গাড়ি আটকে রাখছে। এমন পরিস্থিতিতে তো গাড়ি চালানো যাবে না। তবে বিমানবন্দরের পুলিশ কর্মকর্তারা আশ্বাস দিয়েছেন, আর এমন হবে না। আশ্বাসে আমরা আবার গাড়ি চালানো শুরু করেছি।
বিমানবন্দরের রেন্ট-এ কারের গাড়ি চালক রেজাউল বলেন, যাত্রী নামাতে আমি সিলেট আসছি। আমি সিভিল এভিয়েশনের আদেশের কপি পুলিশকে দেখালাম, সে সেই কাগজ ছিঁড়ে ফেলেছে। আমার সঙ্গে খারাপ ব্যবহার করেছে।