রাজধানীতে ঢুকতে নানা অজুহাত (ভিডিও)

চলমান কঠোর লকডাউনে দূরপাল্লাসহ ব্যক্তিগত যান চলাচলও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তবে জরুরি প্রয়োজনের ব্যক্তিগত গাড়ি এবং পণ্য সরবরাহের গাড়ি চলাচলের সুযোগ রয়েছে। এই সুযোগ নিয়ে অনেকেই ঢাকায় প্রবেশ করছেন। চিকিৎসা সেবাসহ বিভিন্ন জরুরি কারণে যেমন অনেকেই আসছেন, কেউ কেউ অপ্রয়োজনেই রাজধানীতে ঢুকতে নানান অজুহাতও দিচ্ছেন। আবার বিভিন্নভাবে আমিনবাজার পর্যন্ত এসে সেখান থেকে পায়ে হেঁটেও রাজধানীতে ঢুকছেন কেউ কেউ। 

লকডাউন বাস্তবায়নে গত ১ জুলাই থেকেই দেশের উত্তর ও পশ্চিম অঞ্চল থেকে রাজধানী ঢাকার প্রবেশমুখ আমিনবাজার ব্রিজ ও গাবতলী বাস টার্মিনালের পাশে দুটি চেক পোস্ট বসিয়েছে পুলিশ। লকডাউনের পঞ্চম দিন আজ সোমবারও (৫ জুলাই) এসব চেকপোস্টে ব্যক্তিগত গাড়ি থামিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। কারণ অযৌক্তিক মনে হলে জরিমানা করা হচ্ছে, মামলা দেওয়া হচ্ছে; এমনকি অনেক গাড়ি ঘুরিয়েও দেওয়া হচ্ছে।  

আমিন বাজার ব্রিজ চেকপোস্টে দায়িত্বরত ট্রাফিক সার্জেন্ট হারুন অর রশিদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, এখনও অনেকেই নানা অজুহাতে রাজধানীতে ঢোকার চেষ্টা করছেন। জিজ্ঞাসাবাদে যাদের কারণ যৌক্তিক মনে হচ্ছে তাদের আমরা ঢুকতে দিচ্ছি। চিকিৎসা এবং গার্মেন্টস সংশ্লিষ্ট এবং জরুরি সার্ভিসে নিয়োজিত ব্যক্তিদের ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে। আর যাদের কারণ অযৌক্তিক মনে হচ্ছে, নানা কৌশল অবলম্বন করছেন -তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, মামলা দেওয়া হচ্ছে।

লকডাউনের পঞ্চম দিনে আজ তুলনামূলক গাড়ির চাপ কিছুটা বেশি লক্ষ্য করা গেছে। রাজধানীতে প্রবেশে কোনও শিথিলতা রয়েছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে গাবতলী বাস স্ট্যান্ড চেকপোস্টে দায়িত্বরত আরেক ট্রাফিক সার্জেন্ট সুফিয়ান বলেন, রাজধানীতে ঢোকার ক্ষেত্রে চেকপোস্টগুলোতে কোন ধরনের শিথিলতা দেখানো হচ্ছে না। রোদ-বৃষ্টির মাথায় নিয়েও আমরা কঠোর লকডাউন বাস্তবায়নে কাজ করছি।