রাজধানীর গুলশানে চেকপোস্টে গাড়ি চাপা দেওয়ার ঘটনায় আহত পুলিশ সদস্য লিটন (৪০) মারা গেছেন। তিনি গুলশান থানায় কর্মরত ছিলেন।
রবিবার (১১ জুলাই) বেলা পৌনে ১২টায় আগারগাঁওস্থ নিউরোসাইন্স ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। গুলশান জোনের সিনিয়র সহকারী পুলিশ কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।
রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘গত ৪ জুলাই রাতে পুলিশ প্লাজার সামনে চেকপোস্টে ডিউটি করছিলেন লিটন। রাত ১টা ৫০ মিনিটে একটি প্রাইভেট কার যাওয়ার সময় সামনে দাঁড়িয়ে সিগন্যাল দিলে, ড্রাইভার না থামিয়ে তার ওপর তুলে দেয়। এতে গুরুতর আহত লিটনকে উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। আজ বেলা পৌনে ১২টায় আগারগাঁওস্থ নিউরোসাইন্স ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।’
তিনি বলেন, ‘ওইদিনই আশপাশের লোকজন ও অন্যান্য পুলিশ সদস্যরা পেছন থেকে ধাওয়া করে প্রাইভেট কারটিকে জব্দ করে। এ ছাড়া চালক তৌহিদুল ইসলাম ও গাড়ির মালিক মাসুদ গাজীকে আটক করা হয়েছে। গাড়িটি থেকে বেশ কিছু মদের বোতল জব্দ করা হয়েছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘গাড়িটির চালক আদালতে জবানবন্দি দিয়েছে, তার মালিক মদ সাপ্লাইয়ের কাজ করেন। তারা গুলশান ওয়ার হাউজ থেকে মদ নিয়ে ফুয়াং ক্লাবে যাচ্ছিলো। এ ঘটনায় মামলা হয়েছে। গ্রেফতারকৃতরা বর্তমানে জেলহাজতে রয়েছে।’
নিহত লিটন ফরিদপুর জেলার কোতোয়ালী উপজেলার আবুল হাসেমের ছেলে। তার দুই সন্তান রয়েছে। তিনি গত ২০০২ সালে পুলিশের চাকরিতে যোগদান করেছিলেন।