সড়কে চলাচল বেড়েছে, চলছে পুলিশের তল্লাশিও

আমির হোসেন যাচ্ছিলেন রাজধানী থেকে সাভারের উদ্দেশ্যে। গাবতলী চেকপোস্টে (তল্লাশিচৌকি) পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হলে তিনি জানান, জমি মাপার কাজে যাচ্ছেন তিনি তার এক আত্মীয়কে সাথে নিয়ে। বিষয়টি জরুরি প্রয়োজনের আওতায় পড়ে কিনা পুলিশ সদস্যদের এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জমিসংক্রান্ত কাজ তাই যাচ্ছি। কিন্তু পুলিশ সদস্যদের কাছে বিষয়টি অযৌক্তিক এবং জরুরি প্রয়োজন বলে না মনে হওয়ায় আমির হোসেনকে বহন করা গাড়িটি ঘুরিয়ে দেওয়া হয়।

রাজধানীর হাসপাতাল থেকে চিকিৎসা নিয়ে আসা এক শিশুকে গাড়িতে করে রাজশাহী যাচ্ছিলো একটি গাড়ি। চেকপোস্টে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে গাড়িতে থাকা লোকজন বলেন, শিশুটিকে আজ রিলিজ দিয়েছে, তাই তাকে গ্রামের বাড়ি রাজশাহী পৌঁছে দেওয়ার জন্য যাচ্ছি। পুলিশের কাছে এই বিষয়টি যৌক্তিক মনে হলে গাড়িটিকে এবং যাত্রীদের যেতে দেওয়া হয়।

সোমবার (১২ জুলাই) রাজধানীর গাবতলী এলাকায় বিভিন্ন চেকপোস্ট সরেজমিন ঘুরে দেখা যায়, নানা কারণে অনেকেই রাস্তায় বের হচ্ছেন। অনেক ক্ষেত্রেই তারা হাসপাতালে গিয়েছেন চিকিৎসাসেবা নিতে অথবা টিকা নিতে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে এরকম বিষয় বেশি পাওয়া যায়। পুলিশ সদস্যরাও হাসপাতাল কিংবা চিকিৎসাসংক্রান্ত কাগজপত্র দেখার পরেই তাদেরকে যেতে দিচ্ছেন।

গাবতলী চেকপোস্টে দায়িত্বরত ট্রাফিক সার্জেন্ট আলী আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, আজও গাড়ির চাপ রয়েছে। নানা কারণে মানুষ বিভিন্ন গন্তব্যে যাচ্ছেন। যাদের যৌক্তিক কারণ রয়েছে তাদেরকে আমরা যেতে দিচ্ছি। আর যাদের কারণ যৌক্তিক মনে হয়নি তাদেরকে ঘুরিয়ে দিচ্ছি অথবা মামলা দেওয়া হচ্ছে। প্রতিদিনই করোনাভাইরাসে মৃত্যু এবং আক্রান্তের সংখ্যা বাড়ছে, তারপরও আমরা যদি সচেতন না হই তাহলে সংক্রমণ এভাবে বেড়েই চলবে। তাই জরুরি প্রয়োজন ছাড়া না বের হওয়ার পরামর্শ দেওয়ার পাশাপাশি জরুরি প্রয়োজনে বের হতে হলে স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাস্ক পরে বাইরে বের হওয়ার কথা বলেন তিনি।