খন্দকার সাইফুল জামান তার দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ুয়া ছেলে আহনাফকে নিয়ে এসেছেন জুতার শোরুমে। তবে জুতার সাইজ না মেলায় বেশ চিন্তিত তিনি। জানান, স্কুল থেকে বলে দিয়েছে নতুন জুতা পরেই আসতে হবে। তাছাড়া দীর্ঘদিন স্কুল বন্ধ থাকায় আগের জুতা পায়ে ছোট হয়ে গেছে, মাঝে কেনাও হয়নি। তাই এখন তড়িঘড়ি করে কিনতে আসা।
শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খুলে দেওয়ায় শনিবার (১১ সেপ্টেম্বর) হঠাৎ করে ভিড় বেড়েছে রাজধানীর বিভিন্ন জুতার শোরুমে। শিক্ষার্থী-অভিভাবকদের ভিড় ছিল চোখে পড়ার মতো। রাজধানীর বেশ কয়েকটি শোরুম ঘুরে দেখা যায় একই দৃশ্য।
মিরপুর-১০ নম্বরে বাটার শোরুমে সরেজমিনে দেখা যায়, বিক্রয়কর্মীরা রীতিমতো হাঁপিয়ে উঠছে ক্রেতাদের সাইজ ও পছন্দসই জুতা এনে দিতে। তারা জানান, তিন-চার দিন ধরে এই ভিড় শুরু হয়েছে এবং প্রতিনিয়ত এখন ভিড় বাড়ছে।
তবে বন্নী নামে এক অভিভাবক কিছুটা অভিযোগের সুরে বলেন, এভাবে হঠাৎ করে স্কুল খুলে দেওয়াটা মোটেই ঠিক হয়নি। তার মতে, মাস দুয়েক আগে স্কুল খোলার ঘোষণা দিলেও তারা এক ধরনের প্রস্তুতি নিয়ে রাখতেন। এখন হঠাৎ করে বাচ্চাদের জুতা-ড্রেস কিনতে হিমশিম খাচ্ছেন।
আরিফ নামে আরেকজন ক্রেতা বলেন, বাসা থেকে বের হওয়ার সময় ছোট ভাইয়ের জন্য জুতা কিনতে মা টাকা দিয়েছেন। তাই সরাসরি চলে এসেছেন জুতার শোরুমে।
এদিকে ভিড় থাকলেও অনেক শিশুদের মাঝেই স্কুল খোলার আনন্দ লক্ষ্য করা গিয়েছে। জুতার দোকানের ভিড়ের পাশাপাশি স্কুল ব্যাগের দোকানগুলোতেও ভিড় দেখা গেছে।