ইভ্যালির রাসেলকে ব্যবসার সুযোগ দিতে প্রতীকী অনশন

নজরদারির মাধ্যমে ইভ্যালির রাসেলকে ব্যবসার সুযোগ দেওয়াসহ সাত দাবিতে প্রতীকী অনশন করেছে ইভ্যালির মার্চেন্ট ও ভোক্তাদের একটি অংশ। শনিবার (৯ অক্টোবর) সকাল ১১টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার ও শাহবাগ জাতীয় জাদুঘরের সামনে এ কর্মসূচি পালন করে তারা। 

তাদের সাত দফা দাবি হলো- ইভ্যালির সিইও রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনের মুক্তি দিতে হবে। রাসেলকে নজরদারির মাধ্যমে দিক-নির্দেশনা দিয়ে ব্যবসায় করার সুযোগ দিতে হবে। এসক্রো সিস্টেম চালু হওয়ার পূর্বে অর্ডারকৃত পণ্য ডেলিভারি দিয়ে তাকে সময় দিয়ে সহযোগিতা করতে চাই। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে ই-ক্যাব, পেমেন্ট গেটওয়ে, মাৰ্চেনা এবং ভোক্তা প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে কমিটি গঠন করতে হবে। করোনাকালীন বিভিন্ন খাতের মতই ই-কমার্স প্লাটফর্মগুলোকে প্রণোদনা দিতে হবে। ই-কমার্স প্ল্যাটফর্মগুলোকে বাণিজ্য মন্ত্রণালয় থেকে বাধ্যতামূলক লাইসেন্স নিতে হবে গ্যারান্টিসহ। ই-কমার্স বাংলাদেশের সবচেয়ে সম্ভাবনাময় খাত, যেখানে হাজার হাজার উদ্যোক্তা সৃষ্টি হচ্ছে এবং লাখ লাখ কর্মসংস্থান হচ্ছে এই সেক্টরকে সরকারিভাবে সুরক্ষা নিতে হবে।

অনশন কর্মসূচির সমন্বয়ক কমিটির সভাপতি নাসিরুদ্দিন বলেন, আমরা কাউকে দায় নিতে বলছি না। সরকার বা কোনও মন্ত্রীকেও নিতে বলছি না। আমরা শুধু চাচ্ছি একটু সুষ্ঠু তদারকি। এতে করে লাখ লাখ মার্চেন্ট ও ভোক্তাদের জীবিকা বাঁচানোর মাধ্যমে বাংলাদেশের ই-কমার্সের তত্বাবধান চাই।