জ্বালানি তেলের দাম কমানো ও বাস ভাড়া কমানোর দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেয় ৮টি প্রগতিশীল ছাত্র সংগঠন। পরে পুলিশের অনুরোধে অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করে নেয় সংগঠনগুলো।
মঙ্গলবার (৯ নভেম্বর) দুপুর ১২টায় রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে অবস্থান নেয় সংগঠনগুলো। এর আগে সকাল ১১টা ৪৫ মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনের সামনে থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে শাহবাগ মোড়ে আসে তারা। দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত শাহবাগ ছাড়বেন না বলে ঘোষণা দেয় সংগঠনগুলো।
এ সময় শাহবাগ থানা পুলিশ আন্দোলনকারীদের জনদুর্ভোগের কথা বিবেচনা করে কর্মসূচি সমাপ্ত করে দিতে অনুরোধ জানায়। পরে দুপুর পৌনে ১টায় অবস্থান কর্মসূচি প্রত্যাহার করেন নেন আন্দোলনকারীরা।
সমাপনী বক্তব্যে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন (গণসংহতি) সভাপতি গোলাম মোস্তফা বলেন, ‘বর্তমান বাংলাদেশে তেলের রাজনীতি চলে। সরকার, সিন্ডিকেট, পরিবহন মালিকরা তেলের রাজনীতিতে জিতে যান। আর হেরে যায় অসহায় জনগণ। আজকে আমরা যেই দাবি নিয়ে এখানে দাঁড়িয়েছি, তা শুধু আমাদের দাবি নই, বাংলাদেশের ১৬ কোটি মানুষের দাবি।’
তিনি আরও বলেন, ‘বাংলাদেশকে ছাত্র-তরুণদের রক্ষা করতে হবে। এই মূল্য বৃদ্ধিকে রুখে দিতে হবে। এক টাকাও বাড়তি ভাড়া জনগণ দেবে না। জ্বালানি তেল ও বাস ভাড়া না কমানো পর্যন্ত আন্দোলন চলবে। আমরা যখন সাধারণ মানুষের জন্য আন্দোলন করছি, তখন পুলিশ বার বার সরে যেতে বলছেন। যতক্ষণ পর্যন্ত গণবিরোধী সিদ্ধান্ত থাকবে ততদিন আন্দোলন চলবে।’ এ সময় তিনি আজকের মতো অবস্থান কর্মসূচির সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
পাহাড়ি ছাত্র পরিষদের সভাপতি শুভাশীষ চাকমা, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিলের সভাপতি আরিফ মঈন উদ্দিন, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর ইকবাল কবীরসহ অনেকে এ সময় বক্তব্য দেন।