রাজধানীর প্রবেশমুখ ও গুরুত্বপূর্ণ সড়কে বসানো হয়েছে পুলিশ চেকপোস্ট। সন্দেহভাজন যানবাহনের পাশাপাশি যাত্রী ও পথচারীদেরও তল্লাশি করা হবে। জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে ঈদের সময় বাইরে থেকে ঢাকায় প্রবেশ করা সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের।
এছাড়া বিভিন্ন মহল্লা ও এলাকায় বাসাবাড়ির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কমিউনিটি পুলিশ ও নিরাপত্তাকর্মীদের সমন্বয় করে নিরাপত্তা বলয় তৈরি করা হয়েছে ঢাকা মহানগরীতে।
সোমবার (২ মে) ঢাকার বিভিন্ন এলাকা ঘুরে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক ও চারটি প্রবেশমুখে চেকপোস্ট দেখা গেছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) জানিয়েছে, ঈদে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ বেশ কিছু উদ্যোগ নিয়েছে। এরমধ্যে চেকপোস্ট অন্যতম।
গাড়িতে মাদক চোরাচালান প্রতিরোধেও এসব চেকপোস্ট ভূমিকা রাখবে বলে জানানো হয়েছে।
রাজধানীর প্রবেশমুখ গাবতলী, আব্দুল্লাহপুর, যাত্রাবাড়ী, পোস্তগোলা ও বাবুবাজার এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়েছে পুলিশ।
গাবতলীতে সরেজমিন দেখা যায়, চেকপোস্টের ভেতর দিয়েই গাড়ি, মোটরসাইকেল ও সিএনজি অটোরিকশাকে যেতে হচ্ছে। সন্দেহ হলে পুলিশ হাতের ইশারায় থামাচ্ছে। চালানো হচ্ছে তল্লাশি।
সবচেয়ে বেশি তল্লাশির মুখে পড়ছেন মোটরসাইকেল চালক ও আরোহীরা।
চেকপোস্টের পাশাপাশি নগরীর নষ্ট সিসিটিভি ক্যামেরাও মেরামত করেছে পুলিশ।
রাজধানীর আসাদগেট, কলাবাগান, ধানমন্ডি, পান্থপথ, সায়েন্স ল্যাব, শ্যাওড়াপাড়া এলাকায়ও চেকপোস্ট দেখা গেছে। এসব সড়কে গত কয়েক দিনের তুলনায় ব্যক্তিগত গাড়ি, রিকশা, সিএনজি, মোটরসাইকেলের সংখ্যা কমেছে।
ধানমন্ডি আবাহনী মাঠের কোনায় এবং মানিক মিয়া এভিনিউতে চেকপোস্টের কার্যক্রম দেখা গেছে।
ঈদকে কেন্দ্র করে রাজধানী ছেড়েছে প্রায় এক কোটি মানুষ। এখন কারও চলাফেরায় অস্বাভাবিকতা পেলে তা সিসিটিভির মাধ্যমে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ডিএমপি কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম।
ডিএমপি কমিশনার বলেন, থানা এলাকাগুলোয় অতিরিক্ত চার্জ দেওয়া হয়েছে। আড়াই হাজার ফোর্স দায়িত্ব পালন করবে। প্রতি থানা থেকেই মোবাইল টিম থাকবে। বিভিন্ন জোনে ভাগ করে ঢাকার নিরাপত্তা ব্যবস্থার পরিকল্পনা রেখেছি।