ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) সঙ্গে সদ্য যুক্ত হওয়া ১৮টি ওয়ার্ডের সড়কগুলোয় ছিল না কোনও বাতি। গত আগস্টে ৩৯ ও ৪০ নম্বর ওয়ার্ডের গুরুত্বপূর্ণ সড়কগুলোয় নিরাপত্তার জন্য ৫০০ বাতি বসানো হয়। কিন্তু বিদ্যুৎ-সংযোগ না দেওয়ায় এর কোনও সুফল ভোগ করতে পারছেন না নাগরিকরা।
এ অবস্থায় ওয়ার্ডগুলোর বাসিন্দারা বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়া বাতি লাগিয়ে বসিয়ে রাখার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
এ অবস্থায় ওয়ার্ডগুলোর বাসিন্দারা বৈদ্যুতিক সংযোগ ছাড়া বাতি লাগিয়ে বসিয়ে রাখার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন।
৪০ নম্বর ওয়ার্ডের আওতাধীন ফেরাজীটোলা বাসিন্দা আল আমিন বলেন, ‘দুই মাস আগে দেখলাম সিটি করপোরেশন থেকে রাস্তার জন্য বাতি লাগানো হইছে। কিন্তু রাতে তো জ্বলতে দেখি না। রাতে না জ্বললে বাতি বসাইয়া রাইখা লাভ কী? রাস্তায় পানি, কাদা আর গর্ত। বাতি থাকতেও না জ্বললে আর কী উপকার হইলো?’ তিনি দ্রুত সড়কবাতিতে বৈদ্যুতিক সংযোগের দাবি জানান।
একই দাবি জানিয়েছেন খিলবাড়ীরটেক এলাকার বাসিন্দা মো সুমন। তিনি বলেন, ‘সড়ক ভাঙাচোরা, ড্রেনের ঢাকনা নেই। এটা এ এলাকার পরিচিত চিত্র। এখানে পথ চলতে বাতি খুবই দরকার। বাতি থাকলে মানুষের নিরাপত্তা থাকে।’
সিটি করপোরেশন অধিভুক্ত হওয়ার আগে নতুন এই দুটি ওয়ার্ড ছিল ভাটারা ইউনিয়নের। ২০১৭ সালে ছিল বেরাইদ, বাড্ডা, ভাটারা, সাতারকুল, হরিরামপুর, উত্তরখান, দক্ষিণখান ও ডুমনি (খিলক্ষেত) ইউনিয়নকে ১৮টি নতুন ওয়ার্ড ঘোষণা করা হয়।
ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব এলাকার নতুন ১৮টি ওয়ার্ড পাচ্ছে ২৫০টি করে সড়কবাতি। এর আগে সিটি করপোরেশন থেকে এ ওয়ার্ডগুলোর জন্য কোনও উন্নয়ন কার্যক্রমই সম্পন্ন করা হয়নি।
জানতে চাইলে ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের সচিব মো. রাসেল জানিয়েছেন, সড়কবাতিতে বৈদ্যুতিক সংযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান আছে।
৪০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম ঢালী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সড়কবাতিতে বৈদ্যুতিক সংযোগ দেওয়ার জন্য কিছু তার (ক্যাবল) পরিবর্তন করতে হবে। যে তার লাগানো হয়েছে, তা সংযোগের উপযোগী নয়।’
তিনি জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে জানা যাবে কবে এসব বাতিতে সংযোগ দেওয়া হবে।
ডিএনসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) আবদুর রহিম মিয়া বলেন, ‘আমাদের সুইচ বক্সে সংযোগ দেওয়ার জন্য ডেসকোর কাছে আবেদন করতে হবে। আমরা আবেদন করার প্রক্রিয়ার মধ্যে আছি। এ প্রক্রিয়া শেষ করতে এক সপ্তাহ লাগবে।’
কবে নাগাদ এলাকাবাসী সড়কবাতির সুবিধা পাবে, জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘আরও দুই সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।’
একই দাবি জানিয়েছেন খিলবাড়ীরটেক এলাকার বাসিন্দা মো সুমন। তিনি বলেন, ‘সড়ক ভাঙাচোরা, ড্রেনের ঢাকনা নেই। এটা এ এলাকার পরিচিত চিত্র। এখানে পথ চলতে বাতি খুবই দরকার। বাতি থাকলে মানুষের নিরাপত্তা থাকে।’
সিটি করপোরেশন অধিভুক্ত হওয়ার আগে নতুন এই দুটি ওয়ার্ড ছিল ভাটারা ইউনিয়নের। ২০১৭ সালে ছিল বেরাইদ, বাড্ডা, ভাটারা, সাতারকুল, হরিরামপুর, উত্তরখান, দক্ষিণখান ও ডুমনি (খিলক্ষেত) ইউনিয়নকে ১৮টি নতুন ওয়ার্ড ঘোষণা করা হয়।
ডিএনসিসি কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, এসব এলাকার নতুন ১৮টি ওয়ার্ড পাচ্ছে ২৫০টি করে সড়কবাতি। এর আগে সিটি করপোরেশন থেকে এ ওয়ার্ডগুলোর জন্য কোনও উন্নয়ন কার্যক্রমই সম্পন্ন করা হয়নি।
জানতে চাইলে ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের সচিব মো. রাসেল জানিয়েছেন, সড়কবাতিতে বৈদ্যুতিক সংযোগ দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান আছে।
৪০ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর নজরুল ইসলাম ঢালী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সড়কবাতিতে বৈদ্যুতিক সংযোগ দেওয়ার জন্য কিছু তার (ক্যাবল) পরিবর্তন করতে হবে। যে তার লাগানো হয়েছে, তা সংযোগের উপযোগী নয়।’
তিনি জানিয়েছেন, আগামী সপ্তাহে জানা যাবে কবে এসব বাতিতে সংযোগ দেওয়া হবে।
ডিএনসিসির নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) আবদুর রহিম মিয়া বলেন, ‘আমাদের সুইচ বক্সে সংযোগ দেওয়ার জন্য ডেসকোর কাছে আবেদন করতে হবে। আমরা আবেদন করার প্রক্রিয়ার মধ্যে আছি। এ প্রক্রিয়া শেষ করতে এক সপ্তাহ লাগবে।’
কবে নাগাদ এলাকাবাসী সড়কবাতির সুবিধা পাবে, জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, ‘আরও দুই সপ্তাহ সময় লাগতে পারে।’