রাজধানীর মিরপুরের কালশী ফ্লাইওভার আগামী ১৯ ফেব্রুয়ারি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ওইদিনই উড়াল-সড়কটি সর্বসাধারণের চলাচলের জন্য খুলে দেওয়া হবে।
বৃহস্পতিবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের (ডিএনসিসি) মেয়র মো. আতিকুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯ ফেব্রুয়ারি কালশী ফ্লাইওভার উদ্বোধনের সময় দিয়েছেন। উদ্বোধনের পর সেদিনই যান চলাচলের জন্য ফ্লাইওভার খুলে দেওয়া হবে।’
মেয়র আতিক বলেন, ‘রাজধানীর সড়ক ও যান চলাচল ব্যবস্থায় কালশী ফ্লাইওভার একটি নতুন দিক উন্মোচন করবে। এখন আর মিরপুর থেকে এয়ারপোর্ট যেতে ভোগান্তি পোহাতে হবে না। এছাড়াও মিরপুরের সঙ্গে অন্যান্য এলাকার যোগাযোগও সহজ হবে এই ফ্লাইওভারের মাধ্যমে।’
কালশী ফ্লাইওভারকে ঢাকাবাসীর জন্য বসন্তের উপহার উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘শুধু ফ্লাইওভার নয়, কালশীতে যানজটের পাশাপাশি যে জলজট ছিল তাও আমরা খাল পরিষ্কারের মাধ্যমে দূর করেছি। আর এসব হয়েছে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সফল নেতৃত্বের কল্যাণে। মিরপুর এবং ঢাকাবাসীর জন্য প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এটি বসন্তের উপহার।’
ইসিবি চত্বর থেকে কালশী ও মিরপুর ডিওএইচএসমুখী ২ দশমিক ৩৪ কিলোমিটার দীর্ঘ চার লেনের এই ফ্লাইওভারের তিনটি র্যাম্প রয়েছে। মিরপুর ডিওএইচএস প্রান্ত এবং ইসিবি চত্বরের দিকের প্রান্ত থেকে ফ্লাইওভারে ওঠা যাবে। কালশী রোড প্রান্ত দিয়ে কেবল নামার সুযোগ রয়েছে। ফ্লাইওভারের নিচে প্রশস্ত করা রাস্তার দৈর্ঘ্য ৩ দশমিক ৭ কিলোমিটার, যা মাটিকাটা এলাকার ইসিবি চত্বর থেকে শুরু হয়ে কালশী মোড় থেকে মিরপুর ডিওএইচএসে চলে গেছে।
প্রকল্পটি যৌথভাবে বাস্তবায়ন করেছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ২৪ ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেড ও ডিএনসিসি। এটি বাস্তবায়নে ব্যয় হয়েছে ১ হাজার ১২ কোটি ১১ লাখ টাকা। এই প্রকল্পের আওতায় দুটি ফুটব্রিজ নির্মাণ, একটি পিসি গার্ডার ব্রিজ সম্প্রসারণ, একটি পাবলিক টয়লেট নির্মাণ, দুটি পুলিশ বক্স, ৭ দশমিক ৪০ কিলোমিটার আরসিসি ড্রেন ও সসার ড্রেন নির্মাণ, ১ দশমিক ৭৬ কিলোমিটার পাইপ ড্রেন নির্মাণ, সাইকেলের জন্য আলাদা লেন এবং ছয়টি বাস এবং যাত্রী ছাউনি করা হয়েছে।