রাজধানীর বসুন্ধরা শপিং মলের সামনে যত্রতত্র সিএনজি, অটোরিকশা’সহ নানা ধরনের যানবাহনের কারণে পান্থপথে তীব্র যানজট লেগেছে।
রবিবার (৯ এপ্রিল) সরেজমিনে এই চিত্র দেখা গেছে। ঈদুল ফিতরের কেনাকাটাকে সামনে রেখে যাত্রী তুলতে অন্তত দেড় শতাধিক সিএনজি দেখা গেছে বসুন্ধরা সিটির সামনের সড়কের উভয় পাশে।
প্রত্যক্ষদর্শী একাধিক ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী জানান, রমজানে ইফতারের পর সাধারণত যানজট থাকে না। বসুন্ধরা সিটির সামনের সড়কেও যানজট থাকার কথা নয়। কিন্তু সিএনজি চালকরা ইফতারের পর থেকে বসুন্ধরা সিটির পূর্ব দিকে প্রবেশ পথের সড়কে অবস্থা নেয়। এতে করে প্রায় পুরো সড়কই বন্ধ হয়ে ছড়িয়ে পড়ে যানজট।
সরেজমিনে দেখা গেছে, পান্থপথ সিগনালে কাওরানবাজারমুখী ও পান্থপথ থেকে যেসব গাড়ি বসুন্ধরা সিটিতে প্রবেশ করবে, সেসব গাড়ি কোনোভাবেই সামনে এগুতে পারছে না। অন্তত দশ মিনিট পরপর অল্প দুরত্বে গাড়ি এগুলেও আশেপাশে গাড়িজট ছড়িয়ে পড়েছে।
রাস্তা বন্ধ করে পার্কিং করার বিষয়ে বসুন্ধরা সিটির সামনেই সিএনজি চালক একরামুল হক বলেন, ‘রমজানে ঈদের চাপ থাকে, তাই সব সিএনজি চালকরাই মার্কেটের কাছাকাছি থাকে। সে কারণে রাস্তায় চাপ পড়ে।’
আশেপাশে ট্রাফিক পুলিশ দেখা গেলেও তাদের খানিকটা অসহায় মনে হয়েছে। লেজার রশ্মি ব্যবহার করে তাড়া দিলেও চালকদের সে ডাকে সাড়া দিতে দেখা যায় কম।
রাত সাড়ে নয়টা দশটার পরে সাধারণত বসুন্ধরার সামনে সিএনজি পার্ক করে রাখায় একটু যানজটের সৃষ্টি হয় জানিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের তেজগাঁও বিভাগ অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) জাহাঙ্গীর হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সাধারণত রাত দশটার পরে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যরা বসুন্ধরার সামনের রাস্তায় অভিযান চালান না। আর ইদকে সামনে রেখে মার্কেট করতে আসা সাধারণ মানুষের যাতায়াতের জন্যই ওখানে সিএনজি ও অটোরিকশা ভিড় করে। আমরা নতুন করে বসুন্ধরা সিটির সামনে ট্রাফিক পুলিশ সদস্যদের ডিউটি দেবো।’