ছুটি শেষে স্বস্তিতে ফিরছেন ট্রেনের যাত্রীরা

এ বছর ঈদ যাত্রায় ভোগান্তি ছিল কম। ফিরতি যাত্রায়ও ছিল স্বস্তি। এমনটাই জানিয়েছেন ঈদ শেষে বাড়ি থেকে ফেরা রেলপথের যাত্রীরা। তারা জানান, এ বছর অনলাইনে শতভাগ টিকিট বিক্রি এবং বিনা টিকিটে ভ্রমণ নিষেধে কড়াকড়ি থাকায় রেলপথে যাতায়াত ছিল অন্যান্য বছরের তুলনায় আরামদায়ক।

মঙ্গলবার (২৫ এপ্রিল) ঈদের চতুর্থ দিন সকালে সরেজমিনে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশনে দেখা যায়, ঈদ শেষে অনেকটা ঢিলেঢালাভাবেই গ্রাম থেকে ঢাকায় ফিরছে মানুষ। রেলস্টেশনে ফিরতি যাত্রীদের ভিড় নেই।

রেলস্টেশনে ফিরতি যাত্রীদের ভিড় নেই

সকালে ঢাকায় ফেরা যাত্রীদের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, ফিরতি যাত্রায় নির্ধারিত সময়ে স্টেশন থেকে ট্রেন ছাড়লেও মাঝ পথে কিছুটা বিলম্ব হয়। এতে ঢাকায় পৌঁছাতে একটু বেশি সময় লাগে। এছাড়া যাত্রীদের তেমন কোনও সমস্যা হয়নি।

কথা হয় সকাল ১০টায় টাঙ্গাইল কমিউটার ট্রেনে ঢাকা আসা যাত্রী তামিম আহমেদের সঙ্গে। এ বছর ঈদে বাড়ি আসা-যাওয়া কোনও ভোগান্তি হয়নি জানিয়ে তামিম বলেন, ‘টাঙ্গাইল থেকে ঠিক সময়েই ট্রেন ছেড়েছে। ট্রেনের ভেতর কোনও ভিড় ছিল না। মাঝে একটা ক্রসিংয়ের জন্য ১০-১৫ মিনিট দেরি হয়েছে। এছাড়া কোনও ঝামেলা হয়নি। স্বস্তিতেই ঢাকায় ফিরেছি।’

ট্রেনে ফিরতি যাত্রাও ছিল স্বস্তির

অগ্নিবীণা এক্সপ্রেসে ঢাকায় আসা আরেক যাত্রী সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘এ বছরঈদে ট্রেনে যাতায়াত করতে কোনও ঝামেলা হয়নি। অনলাইনে ঘরে বসেই টিকিট কাটতে পেরেছি। এটা ছিল বড় স্বস্তির বিষয়। এরপর স্টেশনেও বাড়তি যাত্রীর ভিড় ছিল কম। স্বস্তিতেই যেতে পেরেছি। ফিরতে কোনও সমস্যা হয়নি।’

কমলাপুর রেলস্টেশন মাস্টার আফসার উদ্দিন বলেন, ‘এবার ঈদে বিশেষ ট্রেনসহ ৫৪ জোড়া ট্রেন চলাচল করবে। আশা করা যায়, যাত্রীদের ফিরতে তেমন অসুবিধা হবে না।’