থার্টি ফাস্ট নাইট ঘিরে রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকাসহ কয়েকটি সড়ক বন্ধ থাকবে। নিরাপত্তার স্বার্থে এসব সড়ক ব্যবহার না করার অনুরোধ জানিয়েছে ঢাকা মহানগর (ডিএমপি) ট্রাফিক বিভাগ।
এসব সড়কের কোথাও কোথাও রবিবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ৮টা থেকে, আবার কোনও কোনও সড়কে সন্ধ্যা ৬টা থেকে সোমবার (১ জানুয়ারি) ভোর ৫টা পর্যন্ত যান চলাচলে কড়াকড়ি থাকবে।
ডিএমপির নির্দেশনা
১. ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে ১ জানুয়ারি ভোর ৫টা পর্যন্ত গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় যানবাহনে প্রবেশের জন্য কামাল আতার্তুক এভিনিউ (কাকলী ক্রসিং) এবং মহাখালী আমতলী ক্রসিং ব্যবহার করা যাবে।
২. রাত ৮টা থেকে গুলশান, বনানী ও বারিধারা এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে মহাখালী এলাকা-ফিনিক্স রোড ক্রসিং, বনানী ১১ নম্বর রোড ক্রসিং, চেয়ারম্যান বাড়ি ক্রসিং, ঢাকা গেট, শুটিং ক্লাব, বাড্ডা লিংক রোড, ডিওএইচএস বারিধারা-ইউনাইটেড হাসপাতাল ক্রসিং এবং নতুন বাজার ক্রসিং ব্যবহার করা যাবে না। তবে এসব এলাকা থেকে বের হওয়ার ক্ষেত্রে ক্রসিং ব্যবহার করা যাবে।
৩. ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরদিন ১ জানুয়ারি ভোর ৫টা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী ছাড়া অন্য যেকোনও ব্যক্তি বা যানবাহন কেবল পুরনো হাইকোর্ট, দোয়েল চত্বর, শহীদ মিনার, জগন্নাথ হল দক্ষিণ গেট, পলাশী মোড় দিয়ে প্রবেশ করতে পারবে। এসব এলাকায় প্রবেশের ক্ষেত্রে অন্যান্য সব ক্রসিং বন্ধ থাকবে।
৪. ৩১ ডিসেম্বর রাত ৮টা থেকে শাহবাগ, নীলক্ষেত ক্রসিং, দোয়েল চত্বর ক্রসিং, বকশী বাজার ক্রসিং, পলাশী ক্রসিং এবং চাঁনখারপুল, শহিদুল্লাহ হল ক্রসিং দিয়ে কোনও ধরনের যানবাহন প্রবেশ করবে না।
সড়ক ব্যবহার সংক্রান্ত যে কোনও জরুরি প্রয়োজনে ডিসি ট্রাফিক (গুলশান) ০১৩২০-০৪৪৩৬০, এডিসি ট্রাফিক (গুলশান) ০১৩২০-০৪৪৩৬১, এসি ট্রাফিক (গুলশান) ০১৩২০-০৪৪৩৭২, এসি ট্রাফিক (মহাখালী) ০১৩২০-০৪৪৩৭৫, এসি ট্রাফিক (বাড্ডা) ০১৩২০-০৪৪৩৭৮, ডিসি ট্রাফিক (রমনা) ০১৩২০-০৪২২৬০, এডিসি ট্রাফিক (রমনা) ০১৩২০-০৪২২৬১, ডিসি (গুলশান) ০১৩২০-০৪১৪২০ ও ডিসি (রমনা) ০১৩২০-০৩৯৪৪০ এসব নম্বরে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে।
এ বিষয়ে ডিএমপির জনসংযোগ শাখার উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মো. ফারুক হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘থার্টি ফার্স্ট নাইটে কী কী করা যাবে না, ইতোমধ্যে ডিএমপি এ বিষয়ে কিছু নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। তারপরও রাজধানীর কিছু কিছু জায়গায় যেমন-ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকা, ইডেন কলেজ, গুলশানের মতো বিশেষ বিশেষ এলাকায় থার্টি ফার্স্ট উদযাপনের আয়োজন হচ্ছে। সেসব জায়গায় আমাদের অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে। মোড়ে মোড়ে পুলিশ অবস্থান নিয়েছে। এছাড়া যেকোনও অপ্রীতিকর ও অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় এসব এলাকায় পুলিশেন বোম ডিসপোজাল ইউনিট প্রস্তুত রাখা হয়েছে।’