৪৩তম বিসিএসে দ্বিতীয় গেজেট থেকে বাদ পড়া ২২৭ জনকে নিয়ে এখনও প্রজ্ঞাপন জারি হয়নি। বাদ পড়ারা আগামী ২৬ জানুয়ারির মধ্যে প্রজ্ঞাপন দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
শুক্রবার (২৪ জানুয়ারি) সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে ‘সমবেত কর্মসূচি’ পালন করেছেন তারা। এ সময় তারা তাদের হতাশা ও মানসিক পীড়নের কথাও তুলে ধরেন।
আন্দোলনকারীদের দাবি, আগামী রবিবার অর্থাৎ ২৬ জানুয়ারির মধ্যেই একটি প্রজ্ঞাপন দিতে হবে- যেন ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহে তারা চাকরিতে যোগদান করতে পারেন।
লাইব্রেরির সামনে তাদেরই একজন শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত (দ্বিতীয় প্রজ্ঞাপনে বাদ পড়া) শাহ মোহাম্মাদ রায়হান। নিজের হতাশা ব্যক্ত করে তিনি বলেন, আমাদের ফাইল গত ১৯ জানুয়ারি রবিবার থেকে প্রধান উপদেষ্টা দফতরে আছে। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে সিনিয়র সচিব মোখলেসুর রহমান স্যার স্বাক্ষর করে আমাদের প্রজ্ঞাপনের সামারি প্রধান উপদেষ্টার দফতরে পাঠিয়েছেন। প্রধান উপদেষ্টা তার ব্যস্ততার কারণে স্বাক্ষর করে যেতে পারেননি, উনি দেশে ফিরবেন আজ। তাই আমাদেরকে যেন এই রবিবারের মধ্যেই প্রজ্ঞাপন দেওয়া হয়।
৪৩তম বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারে সুপারিশপ্রাপ্ত (দ্বিতীয় প্রজ্ঞাপনে বাদ পড়া) মতিউর রহমান বলেন, কঠোর পরিশ্রম করে মেধায় চাকরি পেলাম, অথচ আজ সেই চাকরিতেই যোগ দিতে পারছি না। ৪৩তম বিসিএসের সহকর্মীরা যোগ দিয়েছেন ১৫ জানুয়ারি। কিন্তু আজও আমাদের অপেক্ষায় দিন গুনতে হচ্ছে। আমাদের মানসিক যন্ত্রণাটি একবার বোঝার চেষ্টা করুন। চাকরি পেয়েও আজ আমাদের বাবা-মা মানসিক বিষণ্ণতা ও হতাশায় ভুগছেন।
মাসুমা আক্তার মিনি নিজের দুঃখ প্রকাশ করে বলেন, ৪৩তম বিসিএসে বাদ পড়ে যাওয়া আমাদের এই ২২৭ জনের সুখের দুয়ারে এমন দুঃখের অনল আজ আমাদের বাস্তুহারা করেছে। আমাদেরকে দেওয়া আশ্বাসে আমরা আশ্বস্ত হয়েছিলাম, কিন্তু আজও ঘরে ফিরতে পারিনি।