প্রধান নির্বাচন কমিশন (সিইসি) কে এম নুরুল হুদার সভাপতিত্বে কমিশন বৈঠকে অন্যান্য কমিশনার ও ইসি সচিব উপস্থিত ছিলেন।
বৈঠকের পর রোডম্যাপ চূড়ান্ত হওয়ার বিষয়য়ে ইসি সচিব বলেন, ‘একদশ সংসদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে কর্মপরিকল্পনা প্রণয়ন করা হয়েছে, কমিশন সেটা চূড়ান্ত অনুমোদন দিয়েছে। কর্মপরিকল্পনায় ৭ ধরনের কাজের কথা বলা হয়েছে। এই কাজ করতে ৪ জন কমিশনারের নেতৃত্বে ৪টি কমিটি গঠন করা হয়েছে।’ তিনি বলেন, ‘৭টি কাজের মধ্যে রয়েছে- আইনি কাঠামোগুলো পর্যালোচনা ও সংস্কার, কর্ম-পরকিল্পনার ওপর পরার্মশ গ্রহণ, সংসদীয় এলাকার নির্বাচনি সীমানা পুনঃনির্ধারণ, জাতীয় পরচিয়পত্র প্রস্তুতকরণ ও বিতরণ, ভোটকেন্দ্র স্থাপন, নতুন রাজনতৈকি দলের নিবন্ধন ও নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের নিরীক্ষা এবং নির্বাচনে সংশ্লিষ্ট সবার সক্ষমতা বৃদ্ধির কার্যক্রম গ্রহণ।’
সংলাপ প্রসঙ্গে ইসি সচিব বলেন, ‘জুলাই মাস থেকেই সংলাপ শুরু হবে। আগে ৩০ জুলাই সংলাপের চিন্তা হলেও ওই দিন সিইসি লন্ডন থেকে দেশে ফিরবেন। পরদিন ৩১ জুলাই বিকাল ৩টায় সুশীল সমাজের সঙ্গে সংলাপ হবে। আমরা রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আগস্ট থেকে অক্টোবরের মধ্যে সংলাপ করব।’
এক প্রশ্নের জবাবে ইসি সচিব বলেন, ‘কোনও বিষয়েই খুটিনাটি কর্মপরিকল্পনায় নেই। যে কমিটি যে কাজ করবে, ওই কমিটিই ওই বিষয়টি চূড়ান্ত করবে। আগামী সপ্তাহে সংলাপের সময়সীমা চূড়ান্ত করা হবে। ১৬ জুলাই এই কর্মপরিকল্পনাটি বই আকারে প্রকাশ করা হবে বলেও তিনি জানান।
নির্বাচন কবে হবে জানতে চাইলে ইসি সচিব জানান, ‘নির্বাচন কবে হবে, তা কর্মপরিকল্পনায় নির্দিষ্ট করে বলা হয়নি। বর্তমান সংসদের মেয়াদ শেষ হবে ২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি। তার আগের ৯০দিনের মধ্যে নির্বাচন হবে।
/ইএইচএস/ এমএনএইচ/