শেখ হাসিনার অধীনে নির্বাচন চায় গণতন্ত্রী পার্টি

 

নির্বাচন ভবনপ্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই নির্বাচন চায় গণতন্ত্রী পার্টি। দলটির দাবি, তফসিল ঘোষণার পর নির্বাচনকালীন সরকার দৈনন্দিন কাজ ছাড়া কোনও নীতিগত বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিতে পারবে না। একইসঙ্গে নির্বাচনের সময় স্বরাষ্ট্র, জনপ্রশাসন ও স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় নির্বাচন কমিশনের অধীনে ন্যাস্ত চায় ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগ নেতৃত্বাধীন ১৪ দলীয় জোটভুক্ত এ দলটি। বৃহস্পতিবার বিকালে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে সংলাপে অংশ নিয়ে দলটির পক্ষ থেকে ২১ দফা প্রস্তাবনা তুলে ধরা হয়েছে।

পার্টির সভাপতি ডা. শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে সংলাপে গণতন্ত্রী পার্টির ১১ সদস্যের প্রতিনিধি অংশ নেন। আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত এই সংলাপে সভাপতিত্ব করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কেএম নূরুল হুদা।

দলটির উল্লেখযোগ্য প্রস্তাবনার মধ্যে রয়েছে—মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে অভিযুক্ত ও জঙ্গি তৎপরতায় জড়িত ব্যক্তিসহ রোহিঙ্গাদের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা যাবে না। এজন্য কঠোর পদক্ষেপ নিতে হবে। এছাড়া ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে প্রবাসীদের ভোটাধিকার নিশ্চিত, নির্বাচনি ব্যয় ১৫ লাখে সীমাবদ্ধকরণ, প্রার্থীর নির্বাচনি আয়-ব্যয় জনসম্পুখে প্রকাশের দাবিও জানানো হয় দলটির পক্ষ থেকে। পাশাপাশি ভবিষ্যতে প্রার্থীদের নির্বাচনি ব্যয় রাষ্ট্রীয় কোষাগার থেকে ব্যয় বহন, নির্বাচনে ধর্মের ব্যবহার নিষিদ্ধ, স্বাধীনতাবিরোধী ও ধর্মীয় সাম্প্রদায়িক দলকে নিবন্ধন না দিতে নির্বাচনি আইন সংস্কারসহ নির্বাচন কমিশনের মাধ্যমে প্রত্যেক নির্বাচনি এলাকায় প্রজেকশন মিটিং আয়োজনের প্রস্তাবও করা হয়।

বৃহস্পতিবার পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন দেশের ৪০টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের মধ্যে ৩২টির সঙ্গে সংলাপ শেষ করেছে।

রবিবার বিএনপির সঙ্গে ইসির সংলাপ

আগামী রবিবার (১৫ অক্টোবর) নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে বিএনপির সঙ্গে নির্বাচন কমিশনের সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে। সকাল ১১টায় নির্বাচন ভবনে এ সংলাপ হবে বলে নির্বাচন কমিশনের পরিচালক (জনসংযোগ) এস এম আসাদুজ্জামান বাংলা ট্রিবিউনকে জানিয়েছেন। সংলাপে বিএনপির ২০ জনের মতো প্রতিনিধি অংশ নিতে পারে বলে জানা গেছে। এদিকে আগামী ১৮ অক্টোবর বুধবার ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের সঙ্গে ইসির সংলাপ অনুষ্ঠিত হবে।