নির্বাচন ব্যবস্থাপনা ও সমন্বয় শাখার সহকারী সচিব রাজীব আহসান জানান, ‘বুধবার সকাল ১০ টায় আগারগাঁওস্থ নির্বাচন ভবনে ইসি সচিবের সভাকক্ষে এ বৈঠক ডাকা হয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব, ঢাকার মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানকে সভায় উপস্থিত থাকার জন্যে অনুরোধ জানানো হয়েছে।’
সভার বিষয়ে বলা হয়েছে, ঢাকা উত্তরের মেয়রের শূন্য পদে উপ-নির্বাচন এবং উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নতুন অন্তর্ভুক্ত ১৮টি ওয়ার্ডে নির্বাচন উপলক্ষে ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে ভোটের তারিখ নির্ধারণ বিষয়ক এ আলোচনা হবে।
আনিসুল হকের মৃত্যুতে শূন্য হওয়া ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র পদে ফেব্রুয়ারির শেষ সপ্তাহে উপনির্বাচনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিশন। একই দিনে দুই সিটিতে নতুন যুক্ত হওয়া ৩৬টি সাধারণ ও ১২টি সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে সাধারণ নির্বাচনের সিদ্ধান্ত হয়েছে।
আইনি বাধ্যবাধকতায় আগামী ২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে উত্তর সিটি করপোরেশনের উপ-নির্বাচন করতে হবে ইসিকে।
এদিকে ফেব্রুয়ারি মাসে ২০১৮ সালের এসএসসি পরীক্ষা থাকায় ওই সময় নির্বাচনে তারিখ নির্ধারণ নিয়ে কিছুটা জটিলতার সম্ভাবনা রয়েছে। যার কারণে কমিশন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে বসে পরীক্ষার বিরতিতে বা একটি/দু’টি পরীক্ষা পিছিয়ে দিয়ে ভোটের তারিখ নির্ধারণ করতে চায়।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন কমিশনের ভারপ্রাপ্ত সচিব হেলালুদ্দীন আহমেদ বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘কমিশন যে সময়টিতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়দ পদে উপ-নির্বাচন ও সম্প্রসারিত ওয়ার্ডগুলোর সাধারণ নির্বাচনের সময় এসএসসি পরীক্ষা থাকবে। এজন্য আমরা মন্ত্রণালয় ও বোর্ডের প্রতিনিধিদের নিয়ে নির্বাচনের তারিখ ঠিক করতে বুধবার সভা ডেকেছি। তাদের সঙ্গে কথা বলে কোনও বিরতি দেখে কিংবা একটি/দুটি পরীক্ষা পিছিয়ে দিয়ে নির্বাচনের তারিখটি বের করার চেষ্টা করবো।’
ইসি কর্মকর্তারা জানান, কমিশনের পরবর্তী সভায় ১১ জানুয়ারির মধ্যে তফসিল ঘোষণা করার প্রস্তাব রাখা হবে। পরীক্ষার মধ্যে নির্বাচন করা হবে না। সেজন্য ২৫-২৬ ফেব্রুয়ারি উপযুক্ত সময় বিবেচনা করা যেতে পারে।