ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশন নির্বাচনের ভোটের তারিখ পরিবর্তনের বিষয়ে আদালতের রায়ের দিকে তাকিয়ে আছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এ বিষয়ে আদালতের যে নির্দেশনা আসবে সেই অনুযায়ী ব্যবস্থা নেবে কমিশন। ররিবার নির্বাচন কমিশনের এক অনানুষ্ঠানিক সভায় এমনই মত দেন কমিশনারগণ।
ইসির সভায় নির্বাচন কমিশনের আইন শাখার কর্মকর্তাদের ডেকে রিটের সর্বশেষ অবস্থা জানতে নির্দেশনা দেয় কমিশন। ইসির সভা শেষে নির্বাচন কমিশনার মো. রফিকুল ইসলাম সাংবাদিকদের বলেন, আমরা ৩০ জানুয়ারি ঢাকার দুই সিটিতে ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আদালতে রিট আবেদন হয়েছে। আদালত কোনও নির্দেশনা দিলে আমরা সেই অনুযায়ী পদক্ষেপ নেবো।
ইসি সূত্রে জানা গেছে, সরস্বতী পূজার কারণে ঢাকার দুই সিটিতে ভোটের তারিখ পেছাতে কয়েকটি সংগঠন নির্বাচন কমিশনে আবেদন করে। এছাড়া উচ্চ আদালতে একটি রিট আবেদনও দায়ের হয়েছে। সর্বশেষ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের জগন্নাথ হলের প্রাধ্যক্ষ ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের রিটার্নিং কর্মকর্তার দফতরে একটি আবেদনও করেন। তার প্রেক্ষিতে ওই চিঠিসহ একটি সুপারিশপত্র ইসিতে পাঠান রিটার্নিং কর্মকর্তা।
রবিবার বিকালে নির্বাচন ভবনে অনানুষ্ঠানিক ওই বৈঠকে আগামী ২ মার্চ ভোটার দিবস উদযাপন বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার সরস্বতী পূজার কারণে ভোটের তারিখ পরিবর্তনের বিষয়টি উত্থাপন করেন। পরে ইসির আইন শাখার কর্মকর্তাদের ডেকে রিট আবেদনের সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে জানতে চান। সভায় কর্মকর্তারা জানান, রিট আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালত থেকে এখনও কোনও রায় পাওয়া যায়নি। পরে এ বিষয়ে কোনও সিদ্ধান্ত ছাড়াই বৈঠক শেষ হয়।