বুধবার (২২ জানুয়ারি) নির্বাচনি প্রচারকালে পশ্চিম হাজারীবাগে গণমাধ্যম কর্মীদের একথা বলে তিনি।
গণসংযোগ ও সভা-সমাবেশে বাধা দেওয়া হচ্ছে অভিযোগ করে ইশরাক বলেন, ‘আজও এখানে আসার আগে আমাদের প্রচারে বাধা দেওয়ার চেষ্টা করা হয়েছিল। সংশিষ্টদের সতর্ক করে বলে দিতে চাই, আমি ইশরাক হোসেন একজন মুক্তিযোদ্ধার সন্তান। কোনও ষড়যন্ত্র আমরা মানবো না। ঢাকা শহর হবে শান্তির জনপদ। এখানে কোনও সন্ত্রাসীর স্থান হবে না। এই দেশটা আমাদের সবার। আমরা কারও জমিদারি মানবো না।’
পুলিশ ও প্রশাসনের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আপনাদের ওপর জাতীয় গুরুদায়িত্ব রয়েছে, সেটা পালন করুন। নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকেও আপনাদের ওপর যে সাংবিধানিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে সেটা নির্ভয়ে পালন করুন। জনগণের পক্ষ হয়ে কাজ করুন,জনগণ আপনাদের পাশে থাকবে।’
ইশরাক বলেন, আজকে এ শহরটাকে ধ্বংস করে ফেলা হয়েছে। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য আমাদের একটা পরিবর্তন দরকার। ১ ফেব্রুয়ারি নগরবাসীর জন্য একটা সুবর্ণ সুযোগ এসেছে। আজকে যারা ক্ষমতাসীন আছেন তারা এই দেশটাকে দখল করে রাখছেন। অন্য যারা আছে তাদের কোনও কথা বলার অধিকার নেই, বাকস্বাধীনতা নেই, ভোটের অধিকার নেই। একটা স্বাধীন দেশে এটা দীর্ঘদিন চলতে পারে না।’