তিনি বলেন, ‘ভোটকেন্দ্রের সামনে আলাদাভাবে প্রদর্শনী করার মতো জনবল ইসির নেই। আর সেটা দরকারও হবে না। কারণ ভোটকক্ষে তো পোলিং এজেন্ট ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসাররা থাকবেন। তারা এটা দেখিয়ে দেবেন। কোন বোতামে চাপ দিলে কী হবে সেটা জানিয়ে দেওয়া হবে। আমরা বলে দিচ্ছি ভোটাররা গোপন কক্ষে ঢোকার আগে বিষয়টি দেখিয়ে দেবেন।’
মক ভোটিংয়ে ভোটারদের আগ্রহ কম থাকার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ভোটার এডুকেশন নিশ্চিত করতে আমরা নানা পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। গণমাধ্যমসহ নানা উপায়ে শেখানোর চেষ্টা করেছি। আমার মনে হয় এসবের কারণে অলরেডি ভোটাররা এডুকেটেড। যার জন্য তারা হয়তো আসতে চাননি।’
তিনি বলেন, প্রিজাইডিং অফিসার কিংবা সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার ভোট দিতে পারবেন না। তবে তারা ভোট পরিচালনা করবেন। বিভিন্ন কারণে কারো ফিঙ্গার প্রিন্ট না মিললে তারা ১ শতাংশ পর্যন্ত ভোট দিতে সহায়তা করতে পারবেন। এর চেয়ে বেশি প্রয়োজন হলে নির্বাচন কমিশনের অনুমতি নিতে হবে। কেউ অবৈধভাবে ভোট বা ফিঙ্গার প্রিন্ট দিতে গেলে তাকে শনাক্ত করে প্রচলিত আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি বলেন, পোলিং এজেন্টদের উপস্থিতিতে ফলাফল প্রকাশ করা হবে। ফলাফলের প্রিন্ট কপি প্রত্যেক এজেন্টের কাছে দেওয়া হবে। প্রত্যেকই কেন্দ্র থেকেই ফলাফল ঘোষণা করা হবে। পরে সেই ফল রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হবে। আশা করছি ভোট শেষ হওয়ার ৩০ (সাড়ে ৪টা) মিনিটের মধ্যেই ফল কেন্দ্র থেকে প্রকাশ করা হবে।