ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের এই সভাপতি বলেন, দলীয় প্রার্থী নির্বাচনে সুলতানপুর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের প্রত্যেক ওয়ার্ডের সভাপতি ও সম্পাদকদের মতামত ও ভোট নেওয়া হয়। এতে ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ সভাপতি সাবেক চেয়ারম্যান শাহজাহান সরকারকে শতভাগ ভোট দেন নেতারা। তার নাম কেন্দ্রে পাঠানো হয়। ১৯ ফেব্রুয়ারি বিকালে হঠাৎ জানতে পারি তৃণমূলের সিদ্ধান্তকে বৃদ্ধাঙ্গুল দেখিয়ে মনগড়া ভাবে সফিক নামের এক ব্যক্তিকে মনোনয়ন দেয় আওয়ামী লীগ।
করিম সরকার বলেন, এতে শাহজাহান সরকার কারও প্ররোচনায় সফিক নামের ওই ব্যক্তির নিকট তার মনোনয়ন বিক্রি করে দিয়েছেন বলে ধারণা জন্মায় নেতা-কর্মীদের মধ্যে। ওই ক্ষোভে শনিবার নেতা-কর্মীরা তুলাগাঁও গ্রামের শাহজাহান সরকারের বাড়ি-ঘর ভাঙচুর করে। এক পর্যায়ে তারা শাহজাহান সরকারকে ঘর থেকে তুলে নিয়ে পাশ্ববর্তী তুলাগাঁও উচ্চ বিদ্যালয়ের একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখে।
কুমিল্লা উত্তর জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের যুগ্ম আহবায়ক ও ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ নেতা মামুনুর রশিদ সরকার বলেন, ঘটনার সময় স্থানীয় এমপি মোবাইল ফোনে মনোনয়ন বিক্রির বিষয়টি মিথ্যা এবং ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশে হয়েছে বলে আমাদের জানান। পরিস্থিতি শান্ত করতে শাহজাহান সরকারকে নির্বাচন অংশ নিতেও তিনি পরামর্শ দেন।
/এইচকে/