‘পৃথিবীকে বাসযোগ্য রাখতে হলে পরিবেশ সুরক্ষার বিকল্প নেই’

পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, পৃথিবীকে বাসযোগ্য রাখতে হলে পরিবেশের সুরক্ষা জরুরি। প্রয়োজন জীব বৈচিত্র্যের সংরক্ষণ। গ্রিন হাউস গ্যাসের নিঃসরণ কমাতে হবে। নির্দিষ্ট পরিমাণ বন সংরক্ষণ করতে হবে। রাসায়নিক এবং ডিভাইসের ব্যবহার নিয়ে ভাবতে হবে।

আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটির আয়োজনে এক ওয়েবিনারে বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) পরিবেশ বিশেষজ্ঞরা  এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন নদী ও জলবায়ু বিশেষজ্ঞ ডক্টর আতিক রহমান। এতে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ। আলোচক হিসেবে আরও অংশ নেন— বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক এ কিউ এম মাহবুব, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপ-উপাচার্য ড. নাসরিন আহমেদ, কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক অধ্যাপক ড. জাকির হোসেন, স্থপতি ইকবাল হাবিব, সাংবাদিক সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা প্রমুখ।

বন ও পরিবেশ বিষয়ক উপ-কমিটির চেয়ারম্যান ড. খন্দকার ফজলুল হকের সভাপতিত্বে এবং কমিটির সদস্য সচিব ও আওয়ামী লীগের বন এবং পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক দেলোয়ার হোসেনের সঞ্চালনায় ওয়েবিনার অনুষ্ঠিত হয়।

আলোচনায় অংশ নিয়ে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী বলেন, ‘পৃথিবীকে বাসযোগ্য রাখতে হলে জীববৈচিত্র্যের সমন্বয় জরুরি। কেননা বন ধ্বংস করা হলে প্রাণীকুল বাইরে বেরিয়ে আসবে এবং তাতে মানবজাতি আরও হুমকির মুখে পড়বে।’ মানুষের কর্মকাণ্ডের কারণেই আজ পরিবেশ তথা পৃথিবী হুমকির সম্মুখীন বলে মন্তব্য করেন তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘ভোগের সংস্কৃতি থেকে সবাইকে বেরিয়ে আসতে হবে এবং পৃথিবী শুধু আমার এই মানসিকতা ত্যাগ করতে হবে। ‌ অন্যান্য প্রাণীদের বাঁচতে দিতে হবে, মানুষের বৃদ্ধি কমাতে হবে।’ তিনি উদাহরণ দিয়ে বলেন, আলোচনা আছে করোনাভাইরাস প্রাণীদেহ থেকে মানুষের মধ্যে প্রণীত হয়েছে। যদি মানুষ ক্রমাগত বরং দখল করতে থাকে, কৃষি জমি দখল করতে থাকে, তাহলে এভাবে আরও অনেক প্রাণী বাইরে বেরিয়ে আসবে এবং মানুষ নতুন নতুন রোগের সংক্রমিত হতে পারে। তাই নিজের প্রয়োজনের সবকিছু ব্যবহারের মানসিকতা পরিহার করতে হবে।’

ড. আতিক রহমান তার প্রবন্ধে পরিবেশ এবং জলবায়ুর বর্তমান পরিস্থিতি তুলে ধরে এই সংকট নিরসনে পদক্ষেপ নিতে হবে  সবিস্তারে বর্ণনা করেন।