শেষ মুহূর্তে প্রার্থিতা ফিরে পেলেন আ.লীগের রফিক

Rofiq Kotwal -Shariatpur Sadar

শরীয়তপুর সদর পৌরসভার আওয়ামী লীগের মেয়র প্রার্থী রফিকুল ইসলাম কোতোয়ালের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেছেন উচ্চ আদালত। ঋণ খেলাফি হওয়ায় রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিলেন। প্রার্থিতা ফিরে পেতে তিনি রবিবার উচ্চ আদালতে আপিল করেন। শুনানি শেষে বিকালে আদালত তার মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করেন।

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সহসভাপতি রফিকুল ইসলামকে শরীয়তপুর পৌরসভার মেয়র প্রার্থী হিসেবে আওয়ামী লীগ থেকে দলীয় মনোনয়ন দেওয়া হয়। ৬ ডিসেম্বর ঋণ খেলাফির অভিযোগে রিটার্নিং কর্মকর্তা তার মনোনয়নপত্র বাতিল করেন। প্রার্থিতা ফিরে পেতে ৭ ডিসেম্বর রফিকুল ইসলাম জেলা প্রশাসকের কাছে আপিল করেন। ১০ ডিসেম্বর জেলা প্রশাসক আপিল আবেদন নামঞ্জুর করেন।

এর আগেই রফিকুল ইসলামের মনোনয়ন বাতিল হওয়ায় আওয়ামী লীগ থেকে নতুন করে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারুক আহম্মেদ তালুকদারকে মনোনয়ন দিয়ে তাকে দলীয় প্রতীক বরাদ্দ দেওয়ার জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর চিঠি পাঠানো হয়। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা স্বাক্ষরিত ওই চিঠি ৮ ডিসেম্বর রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে জমা দেওয়া হয়। এ বিষয়ে মতামত চেয়ে রিটার্নিং কর্মকর্তা ওই চিঠি নির্বাচন কমিশনে পাঠান। ১০ ডিসেম্বর নির্বাচন কমিশন চিঠি দিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী ফারুক আহম্মেদকে নৌকা প্রতীক না দেওয়ার কথা জানিয়ে দেন।

রফিকুল ইসলাম প্রার্থিতা ফিরে পেতে রবিবার সকালে উচ্চ আদালতে আপিল করেন। শুনানি শেষে বিকালে আদালত তার প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেন।

রফিকুল ইসলাম মুঠোফোনে বলেন, ‘আমি ঋণ খেলাফি ছিলাম না। ব্যাংকের জটিলতায় রিটার্নি কর্মকর্তা আমার মনোনয়নপত্র বাতিল করেছিল। উচ্চ আদালতে আপিল করলে আদালত আমার প্রার্থিতা বহাল রাখে। এখন নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে আর কোনও জটিলতা রইল না।’

শরীয়তপুর সদর পৌরসভা নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, ‘উচ্চ আদালত রফিকুল ইসলামের প্রার্থিতা বহাল করেছেন এমন খবর লোকমুখে শুনেছি। আদালতের আদেশ এখনও আমাদের কাছে পৌঁছায়নি।  আদালতের নিদের্শনা পেলে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।’

 

/এসটি/