মানিকগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিংগাইর পৌর নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মো. মুনির হোসাইন এ তথ্য জানান।
ভোটার তালিকা সংক্রান্ত একটি রিট পিটিশনের পরিপ্রেক্ষিতে গত ২ ডিসেম্বর হাইকোর্ট এই নির্দেশ দেয়। তবে হাইকোর্টের এ নির্দেশনার কাগজপত্র হাতে না পাওয়ায় নির্বাচন কমিশন শনিবার পর্যন্ত নির্বাচনের স্বাভাবিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছিল।
জানা গেছে, সিংগাইর পৌরসভার বর্তমান মেয়র খোরশেদ আলম ভুঁইয়ার ভাই মোস্তাক হোসেন ভুঁইয়া গত ২১ জুন এই রিট পিটিশন করেন। বর্তমান ভোটার তালিকায় নানা অসঙ্গতির বিষয়টি তুলে ধরে তিনি নতুন ভোটার তালিকা প্রণয়নের দাবি জানান। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট নির্বাচন কমিশনকে চার সপ্তাহের মধ্যে জবাব দিতে রুল জারি করেন। কিন্তু নির্বাচন কমিশন জবাব না দিয়ে ২৪ নভেম্বর পৌর নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে।
২ ডিসেম্বর বিষয়টি হাইকোর্টকে অবহিত করা হলে হাইকোর্ট নির্বাচনের ওপর স্থগিতাদেশ দেন। কিন্তু এ সংক্রান্ত কাগজপত্র নির্বাচন কর্মকর্তার হাতে না পৌঁছানোর কারণে নির্বাচনের স্বাভাবিক কার্যক্রম অব্যাহত ছিল।
সিংগাইর পৌরসভায় মেয়র পদে মোট ৬ জন, কমিশনার পদে ৪৪ জন এবং সংরক্ষিত নারী কমিশনার পদে ৭ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। রবিবার ছিল মনোনয়নপত্র বাছাইয়ের তারিখ। কিন্তু হাইকোর্টের স্থগিতাদেশের কাগজ হাতে পাওয়ায় রির্টানিং অফিসার নির্বাচন কার্যক্রম স্থগিত করে দেন।
বিষয়টি স্বীকার করে মানিকগঞ্জ জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ও সিংগাইর পৌর নির্বাচনের রিটার্নিং অফিসার মো. মুনির হোসাইন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, নির্বাচন কমিশন থেকে টেলিফোনে স্থগিতাদেশের বিষয়টি তাকে নিশ্চিত করা হয়েছে। নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সিংগাইর পৌরসভার নির্বাচন স্থগিত করা হয়েছে।
/আরএ/টিএন/
আপ-এআর