নির্বাচন কমিশন সচিব মো. সিরাজুল ইসলাম সোমবার বাংলা ট্রিবিউনকে এ তথ্য জানিয়েছেন।
কমিশন সচিব বলেন, আদালতের নির্দেশনা অনুসারে আমরা ব্যবস্থা নেব। তবে, আদালতের রায়ের সার্টিফায়েট কপি হাতে না পাওয়া পর্যন্ত কোনও সিদ্ধান্ত জানাতে পারছি না।
নির্বাচন কি ঘোষিত সিডিউল অনুযায়ী হবে? এমন প্রশ্নের জবাবে সচিব সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমরা হাতে অনেক কম সময় রেখে নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছি। এর মধ্যে আদালতের এক নির্দেশে এই পৌরসভায় আমরা ৩ দিন পিছিয়ে পড়েছি। কাজেই মনে হয় না ৩০ ডিসেম্বর এই নির্বাচনটা করতে পারব। হয়তো নির্বাচন কিছুটা পিছিয়ে আমাদের পুনঃতফসিল দিতে হবে।
গত ২ ডিসেম্বর এক রিট আবেদনের সম্পূরক আবেদনে হাইকোর্টের একটি দ্বৈতবেঞ্চ সিংগাইর পৌরসভার ভোটগ্রহণের বিষয়ে ছয় মাসের স্থগিতাদেশ দেন। এরই আলোকে কমিশন ৬ ডিসেম্বর এই নির্বাচনটি আনুষ্ঠানিকভাবে স্থগিত ঘোষণা করে। কিন্তু ওই রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল করলে পরদিন ৭ ডিসেম্বর চেম্বার বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন আগামী ২১ জানুয়ারি পর্যন্ত হাইকোর্টের ওই আদেশে স্থগিতাদেশ দেন। এতে নির্বাচনের বাধাটি কেটে যায়।
নির্বাচনি এলাকার ভোটার মোস্তাক আহমেদ ভূইয়া গত ২১ জুন ওই রিট আবেদন করেছিলেন, যাতে প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২৩ জুন আদালত রুল দেয়। পরে এক সম্পূরক আবেদনের প্রেক্ষিতে ২ ডিসেম্বর হাইকোর্ট বেঞ্চ নির্বাচনের ওপর ওই স্থগিতাদেশ দেয়।
আগামী ৩০ ডিসেম্বর দেশের ২৩৬টি পৌর সভায় ভোট হওয়ার কথা থাকলেও আদালতের আদেশে প্রথমে মংলাবন্দর এবং পরে সিংগাইর পৌরসভার ভোট স্থগিত হয়।
/ইএইচএস/ এএইচ/