শনিবার সারা দিন গণসংহতি আন্দোলনের ঘোষণাপত্র, রাজনৈতিক প্রস্তাবের ওপর আলোচনা হয়। ঘোষণাপত্রে ২৫ সদস্য বিশিষ্ট কেন্দ্রীয় কমিটি প্রস্তাব করা হয়। ৪ টি পদ খালি রেখে ২১ সদস্য বিশিষ্ট কমিটি ঘোষণা করা হয়।
গত ৩০ জানুয়ারি মুক্তিযুদ্ধে জনগণের আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়ন এবং গণতান্ত্রিক, অসাম্প্রদায়িক ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে রাজনৈতিক দল আকারে আত্মপ্রকাশ করে গণসংহতি আন্দোলন। ওইদিন সকালে সদস্য সংগ্রহের মধ্য দিয়ে সংগঠনটি দল আকারে হাজির হয়েছে। এসময় কয়েকজন নেতাকর্মী সদস্য ফরম পূরণ করে গণসংহতিতে যোগ দেন।
জানা গেছে, গত বছরের ২৭, ২৮ ও ২৯ নভেম্বর তৃতীয় জাতীয় প্রতিনিধি সম্মেলনে জনগণের নিজস্ব রাজনৈতিক শক্তির নেতৃত্বদানকারী দল হিসেবে ‘গণসংহতি আন্দোলন’ রাজনৈতিক দল আকারে আত্মপ্রকাশ করার সিদ্ধান্ত নেন সংগঠনটির নেতাকর্মীরা।
নতুন কমিটির রাজনৈতিক পরিষদ: দেওয়ান আবদুর রশিদ নিলু, তাসলিমা আখতার, ফিরোজ আহমেদ, আবুল হাসান রুবেল, হাসান মারুফ রুমি।
সম্পাদকমন্ডলী: বাচ্চু ভূইয়া, শ্যামলী সরকার, মনির উদ্দিন পাপ্পু, আবু বকর রিপন, জুলহাস নাইন বাবু, মুরাদ মোরশেদ ও আরিফুল ইসলাম।
কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন, আমজাদ হোসেন, দীপক রায়, তৌহিদুর রহমান, অপরাজিতা চন্দ, উশ্যেপ্রুমারমা, জান্নাতুল মরিয়ম ও তরিকুল সুজন।
জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘জনগণ তাদের এই ঐতিহাসিক দায়িত্ব পালন করতে পারেন, তার নিজস্ব শক্তি ঘনীভূত দল গড়ে তুলে। গণসংহতি আন্দোলন তার প্রতিষ্ঠা লগ্ন থেকেই দল হিসাবে নিজেকে গড়ে তুলতে সংগ্রাম পরিচালনা করে যাচ্ছে। সে স্বপ্ন পূরণ করতে যে দীর্ঘ লড়াইয়ের প্রয়োজন, তার প্রতিটি ধাপে জনগণের শক্তিকে সংগঠিত করে সংগ্রাম গড়ে তুলতে চাই আমরা।’
গণসংহতি আন্দোলনের কেন্দ্রীয় পরিচালনা কমিটির সদস্য প্রাবন্ধিক-সাংবাদিক ফিরোজ আহমেদ বলেন,‘২০০২ সালের ২৯ আগস্ট গণসংহতি আন্দোলন বেশ কয়েকটি গণসংগঠনকে নিয়ে একটি জাতীয় রাজনৈতিক প্লাটফর্ম হিসাবে যাত্রা শুরু করে। এই গণসংগঠনগুলোর মধ্যে বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, বাংলাদেশ বহুমুখী শ্রমজীবী ও হকার সমিতি, নারী সংহতি, বাংলাদেশ গার্মেন্ট শ্রমিক সংহতি, প্রতিবেশ আন্দোলন ও বাংলাদেশ কৃষক-মজুর সংহতি তাদের স্ব স্ব ক্ষেত্রে লড়াই-সংগ্রামে নেতৃত্বমূলক সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছে। আমাদের লক্ষ্যে পৌঁছুতে সুদৃঢ়ভাবে কাজ করব ।’
এসটিএস/এপিএইচ/