বৃহস্পতিবার (৩০ নভেম্বর) দুপুরে নয়া পল্টনে দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে এই কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
তিনি বলেন,‘বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির প্রতিবাদে আগামী ৩ ডিসেম্বর দেশব্যাপী জেলা সদর,মহানগর এবং ঢাকা মহানগরীর থানায় থানায় বিক্ষোভ কর্মসূচি পালান করা হবে।’ অবিলম্বে গ্রেফতারি পরোয়ানা প্রত্যাহারেরও দাবি করেন তিনি।
রিজভী বলেন, ‘বামদলগুলোর ডাকা হরতালে নিরাপত্তাজনিত কারণে খালেদা জিয়া আজ (বৃহস্পতিবার) আদালতে হাজির হতে না পারায় আবারও তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে। খালেদা জিয়ার আইনজীবীরা আদালতে হাজির হয়ে সময়ও চেয়েছিলেন। এমনকি হরতাল শেষে তিনি আদালতে আসতে চান জানিয়ে আইনজীবীরা আদালতে আবেদন করলেও তা নাকচ করে দিয়ে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়। যা ন্যায় বিচারের পরিপন্থী ও ন্যাক্কারজনক। এই ঘটনা সরকারের প্রত্যক্ষ মদদে হয়েছে।’
এই গ্রেফতারি পরোয়ানাকে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে বর্তমান সরকার প্রধানের পাশবিক জিঘাংসার প্রতিফলন বলে মন্তব্য করে তিনি। রিজভী বলেন, ‘জাতীয়তাবাদী শক্তির বিরুদ্ধে এটা হিংসাপরায়ণ সরকারের বিভীষিকাময় আষ্ফালন। এ আদালতে খালেদা জিয়া যে ন্যায় বিচার পাবেন না, এ গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর তা আরও পরিষ্কার হলো।’
তিনি আরও বলেন, ‘যেখানে প্রধান বিচারপতিকে জোর করে অসুস্থতার মিথ্যা কথা বলে ছুটিতে পাঠিয়ে দেশত্যাগে বাধ্য করা হয়, এরপর সরকারের লোকেরা বিদেশ গিয়ে হুমকি দিয়ে তাকে অবসর নিতে বাধ্য করেন, সেখানে বিরোধী রাজনৈতিক দলের প্রধান কিভাবে ন্যায় বিচার পাবেন?’
বিএনপির পক্ষ থেকে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান রিজভী।
এদিকে যশোরের চৌগাছা উপজেলা বিএনপি’র সাধারণ সম্পাদক ইউনুচ আলী, বেনাপোল পৌর বিএনপি’র সভাপতি নাজিম উদ্দিন, সদর পৌর ওয়ার্ড বিএনপি’র সভাপতি সিদ্দিক হোসেন এবং ঝিকরগাছা উপজেলা যুবদলের সভাপতি গোলাম কাদের বাবলুসহ ৬৭ জন নেতাকর্মীকে পুলিশ গ্রেফতার করেছে বলে সংবাদ সম্মেলনে দাবি করেন রিজভী।