তিনি বলেন, আমি বিএনপি’র পক্ষ থেকে আবারও দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে বলতে চাই,প্রধান নির্বাচন কমিশনার আপনি আওয়ামী সরকারের অশুভ ইচ্ছাপূরণে ‘খাঁচায় বন্দি তোতা পাখি হবেন না’। কেননা ষড়যন্ত্র আর বড় বড় বুলির মায়াজাল সৃষ্টি করে গণতন্ত্রের ঘাতক শেখ হাসিনা ও উনার সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন এদেশের জনগণ মেনে নেবে না। বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী মানুষ কোন নীলনকশার ফাঁদে পা দেবে না।
ভোটারবিহীন এই সরকার খুনের রাজত্ব কায়েম করেছে উল্লেখ করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, তারা তরুণদের টার্গেট করেছে। আর ছাত্রলীগকে এখন খুনের জন্য ভাড়াটে সন্ত্রাসী বাহিনীতে পরিণত করা হয়েছে।
তিনি বলেন , আগাম নির্বাচনের জন্য প্রস্তুত বলে ওবায়দুল কাদের ও সিইসি’র একই সুর প্রমাণ করে সিইসি সরকারের নির্মিত সেই পুরনো পথেই হাঁটবেন। অথচ একটি স্বাধীন সার্বভৌম নির্বাচন কমিশনের সাংবিধানিক দায়িত্ব দেশে অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন আয়োজন করা। কিন্তু অবস্থাদৃষ্টে মনে হচ্ছে চাকরি রক্ষার্থে বর্তমান সিইসি অবাধ-সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের বিষয়টি আমলে নেবেন না।
দেশে দুঃসময়ে প্রধানমন্ত্রীসহ ক্ষমতাসীন দলের লোকেরা রাজকোষ শূন্য করে নিজের পরিবারের নাম প্রতিষ্ঠিত করতে প্রতিযোগিতায় নেমেছেন মন্তব্য করে তিনি আরও বলেন, শুধু তাই নয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে বর্তমান ভয়াবহ সংকট রোহিঙ্গা ইস্যুতে এক পাও ফেলছেন না অথচ কোটি কোটি টাকা ব্যয় করে পিতার নামে সড়ক নামকরণ ও উদ্বোধন করতে চলেন গেলেন সুদূর কম্বোডিয়ায়। মূলত তিনি যদি দেশের মানুষের ভোটে নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী হতেন তাহলে দেশের স্বার্থ বাদ দিয়ে নামকরণে ব্যস্ত হয়ে পড়তেন না।
রুহুল কবির দাবি করেন, রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বিএনপিসহ দেশের বিশিষ্টজন এবং বুদ্ধিজীবীরা চীন-ভারতসহ প্রতিবেশী দেশগুলোকে বাংলাদেশের পক্ষে রাজি করাতে উদ্যোগী হওয়ার আহবান জানালেও রহস্যজনক কারণে প্রধানমন্ত্রী এ ব্যাপারে উদ্যোগী হননি।
সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আবুল খায়ের ভূইয়া, আব্দুস সালাম, যুগ্ম-মহাসচিব হাবিব উন নবী খান সোহেল, স্বেচ্ছাসেবক বিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপু, প্রকাশনা সম্পাদক হাবিবুল ইসলাম হাবিব, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, দক্ষিণ নগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক কাজী আবুল বাশার, সাংগঠনিক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম পটু, নির্বাহী কমিটির সদস্য আমিনুল ইসলাম প্রমুখ।