গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘খালেদা জিয়ার প্রতিষ্ঠিত গণতন্ত্রে যদি জনগণ ভোট দিতে পারে, তারা খালেদা জিয়ার ওপর অসন্তুষ্ট হবেন না। সুতরাং খালেদা জিয়া ছাড়া এদেশে গণতন্ত্র মুক্তি পাবে না। তাকে জেলে রেখে নির্বাচনের আন্দোলনও হয় না, তাই তার মুক্তি জাতির জন্য অপরিহার্য।’
বিএনপির এই নেতা বলেন, ‘আমরা কীসের নির্বাচন চাই? জনগণের ভোটের অধিকারের। পুলিশের ভোটের অধিকারের জন্য না। পুলিশ ভোট দেবে আর জনগণ বসে বসে চিনাবাদাম খাবে, এটা তো হবে না।’ তিনি বলেন, ‘একটা নির্বাচনের মাধ্যমে বোঝা যায় কার কী যোগ্যতা ও কতটুকু সমর্থন আসছে। শেখ হাসিনা যদি বুদ্ধিমতি হতেন, তাহলে ১০ বছর দেশ চালানোর পর একটিবার দেখতেন, জনগণ আমাদের কতটুকু চায়।’
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সমালোচনা করে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন, ‘প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে শেখ হাসিনার দূরত্ব বাড়ছে। আমরা তো প্রতিবেশী দেশের সঙ্গে বন্ধুত্ব চাই। একাত্তরে তারা আমাদের পাশে ছিল। এজন্য তাদের বন্ধুত্ব গুরুত্বপূর্ণ।’ তিনি বলেন, ‘শ্রীলংকা, মালদ্বীপও একটা সময় ভারতের কথা শুনতো। কিন্তু এখন, তারা ভারতের ধার ধারে না। ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের বন্ধুত্ব নেই। বন্ধুত্ব হলো বাংলাদেশের একজন ব্যক্তি ও একটি দলের সঙ্গে। কারণ, কোনও দেশ তাদের সঙ্গে বন্ধুত্ব করতে পারে না।’
আয়োজক সংগঠনের সভাপতি কে এম রকিবুল ইসলাম রিপনের সভাপতিত্বে গোলটেবিল বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য হাবিবুর রহমান হাবিব প্রমুখ।