খন্দকার মোশাররফ বলেন, ‘১/১১-এর পর আওয়ামী লীগ ভোট কারচুপি করার জন্য আরপিও সংশোধন করেছিল। এখন আবার একই লক্ষ্যে আরপিও সংশোধনের চেষ্টা করছে। বিশ্বের যেসব দেশে এ পর্যন্ত ইভিএম ব্যবহার হয়েছে সেখানকার সবাই তা বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়ায় রয়েছে। অনেকে বাদও দিয়েছে। যেমন, ভারত। সেখান থেকে আমাদের শিক্ষা নেওয়া উচিত। এছাড়া সিটি করপোরেশন নির্বাচনগুলোতে দেখা গেছে, ইভিএমের সুইচে চাপ দিলে শুধু নৌকা প্রতীকই আসে। অর্থাৎ তারা ১০০ আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেতার আশায় ইভিএম ব্যবহার করবে।’
নির্বাচন কমিশনকে অক্ষম উল্লেখ করে মোশাররফ আরও বলেন, ‘গত ১৫ জুলাই নির্বাচন কমিশনের সচিব ঘোষণা দিয়েছিলেন, আরপিও সংশোধন হবে না এবং ইভিএম নির্বাচনে ব্যবহার করা হবে না। এর আগে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বারবার বলেছেন, আরপিও সংশোধন করা হবে না। কিন্তু ১০০টি আসনে ইভিএম ব্যবহারের ঘোষণা হয়েছে এবং আগামীকাল আরপিও সংশোধনের একটি সভা বসবে। তাহলে তাদের তো অক্ষমই বলতে হবে। এই সরকারের অধীনে যেমন নির্বাচনে যাওয়া সম্ভব না, তেমনি এই নির্বাচন কমিশনকেও সংশোধন করতে হবে।’
স্বাধীনতা ফোরামের সভাপতি আবু নাসের মুহাম্মদ রহমাতুল্লাহর সভাপতিত্বে সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব অ্যাডভোকেট সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, আব্দুল মানিক রতন, ব্যারিস্টার কায়সার কামাল, আব্দুস সাত্তার পাটোয়ারী প্রমুখ।