নানা কর্মসূচির মধ্যে দিয়ে গণসংহতি আন্দোলনের ১৬তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী পালিত হয়েছে। প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে ‘স্বৈরাচারী দুঃশাসন মোকাবিলায় ঐক্যবদ্ধ হোন, মুক্তিযুদ্ধে জনগণের আকাঙ্ক্ষার গণতান্ত্রিক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনকে বেগবান করুন’— এই শ্লোগান নিয়ে জাতীয় স্মৃতিসৌধে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান দলটির নেতারা।
২০০২ সালের ২৯ আগস্ট আত্মপ্রকাশ করে গণসংহতি আন্দোলন।
স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানানোর পর দলটির প্রধান সমন্বয়কারী জোনায়েদ সাকি বলেন, ‘গত ১৬ বছরে গণসংহতি আন্দোলন রাজনৈতিক-সামাজিক-অর্থনৈতিক সব সংগ্রামের ক্ষেত্রেই সাধ্যমতো মানুষের পাশে থেকেছে এবং সংগ্রাম সংগঠিত করার চেষ্টা করেছে। এই পথচলায় অসংখ্য মানুষের সমর্থনে সাফল্য-ব্যর্থতা ও নবতর চিন্তার সন্নিবেশের মধ্য দিয়ে গণসংহতি আজ বাংলাদেশের মানুষের নতুন আশার দল হিসেবে সুপরিচিত।’
এ সময় উপস্থিত ছিলেন দলটির ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী সমন্বয়কারী আবুল হাসান রুবেল, কেন্দ্রীয় সম্পাদকণ্ডলীর সদস্য বাচ্চু ভূইয়া, শ্যামলী শীল, মনিরউদ্দিন পাপ্পু, আবু বকর রিপন, জুলহাসনাইন বাবু, আরিফুল ইসলাম, কেন্দ্রীয় সংগঠক আলীফ দেওয়ান, কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য দীপক রায় প্রমুখ।
জনগণের নিজস্ব শক্তি গড়ে তোলার ডাক দিয়ে ২০০২ সালে যাত্রা শুরু করা গণসংহতি আন্দোলনের প্রধান লক্ষ্য মুক্তিযুদ্ধের আকাঙ্ক্ষায় একটি গণতান্ত্রিক, আত্মমর্যাদাসম্পন্ন সার্বভৌম ও অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলা।