জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশকে কেন্দ্র করে সিলেট নগরীর মোড়ে মোড়ে অতিরিক্ত তল্লাশি চালাচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বুধবার (২৪ অক্টোবর) দুপুর দুইটায় নগরীর রেজিস্ট্রারি মাঠে সমাবেশ শুরু হবে। সকাল সাড়ে ১১টা পর্যন্ত কোনও নেতাকর্মীকে আটকের খবর পাওয়া যায়নি।
এদিকে, ফ্রন্টের নেতারা অভিযোগ করেছেন—সমাবেশকে কেন্দ্র করে সিলেটের প্রবেশপথগুলোতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ব্যাপক তল্লাশি চালাচ্ছে। সুনামগঞ্জ থেকে সিলেট আসার বিভিন্ন জায়গায় চেকপোস্ট বসিয়ে সমাবেশে লোক আসতে বাধা সৃষ্টি করা হচ্ছে।
বিএনপির সুনামগঞ্জ জেলা যুগ্ম সম্পাদক মুনাজ্জির সুজন বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, সুনামগঞ্জ থেকে সিলেটে আসতে লামাগাজি ও জাউয়া এলাকায় পুলিশ চেকপোস্ট বসিয়েছে। সুনামগঞ্জ শহর থেকে কোনও গাড়ি আসতে দিচ্ছে না। জায়গায় জায়গায় চেকপোস্ট বসানো হয়েছে।
সকাল ১০টার দিকে রেজিস্ট্রারি মাঠে গিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর তৎপরতাও চোখে পড়েছে। মাঠে প্রবেশে পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখোমুখি হচ্ছেন নেতাকর্মীরা।
ড. কামাল হোসেন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় পুলিশের চেকপোস্ট বসানোর খবর এসেছে। এখনও কোনও আটকের খবর নেই।’
বিশ দলীয় জোটের শরিক খেলাফত মজলিসের যুগ্ম মহাসচিব মুহাম্মদ মুনতাসির আলী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘সিলেটে মঙ্গলবার (২৩ অক্টোবর) রাতে বাসায় বাসায় তল্লাশি চালানোয় নেতাকর্মীরা আতঙ্কে আছে।’
এদিকে, বুধবার দুপুর দুইটা নাগাদ নগরীর তালতলা রেজিস্ট্রারি মাঠে ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ শুরু হওয়ার দুই ঘণ্টা আগে কোর্ট পয়েন্টে প্রচারপত্র বিলি করবে স্থানীয় আওয়ামী লীগ।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শফিকুর রহমান চৌধুরী বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, বুধবার বেলা ১২টা থেকে প্রচারপত্র অভিযান শুরু হবে। ঐক্যফ্রন্টের সমাবেশ শুরু হওয়ার আগেই কমর্সূচি শেষ হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে সিলেট মহানগর পুলিশ কমিশনার গোলাম কিবরিয়া বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘শহরের পরিস্থিতি শান্ত। নিজ নিজ কমর্সূচি পালন করবে রাজনৈতিকর দলগুলো। তল্লাশি ও চেকপোস্ট বসানো হয়েছে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে। যেকোনও উদ্ভূত পরিস্থিতি মোকাবিলা করতেই আইনশৃঙ্খলা বাহিনী সতর্ক আছে।