সংলাপে বসতে চায় আরও ৩২ দল: ওবায়দুল কাদের

ওবায়দুল কাদের

ঐক্যফ্রন্ট ও যুক্তফ্রন্টের পর এবার আরও ৩২টি দল সংলাপের আহ্বান করেছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। শনিবার (৩ নভেম্বর) সকালে জেলহত্যা দিবস উপলক্ষে ধানমন্ডি ৩২ নম্বরে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জাতীয় চার নেতার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে তিনি এ মন্তব্য করেন।

এসময় তিনি আরও বলেন, ‘জাতীয় পার্টি ও ২০ দলীয় জোট ছাড়াই আরও ৩২টি দলের কাছ থেকে সংলাপের চিঠি পেয়েছি। এ মাসের আট তারিখ পর্যন্ত এই সংলাপ চলবে, সাত তারিখের পর থেকে আর কোনও আলোচনা নয়। কারণ এর মধ্যেই তফসিল ঘোষণার বিষয় আছে। দলীয় মনোনয়ন ঠিক করার বিষয় আছে।’  


ওবায়দুল আরও কাদের বলেন, ‘আওয়ামী লীগ একটি অবাধ, নিরপেক্ষ ও সুষ্ঠু নির্বাচন চায়। আওয়ামী লীগ চায়, সব দল এ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করুক। তাই সবার দাবি মেনে সংলাপ করা হচ্ছে। নির্বাচনের প্রস্তুতির নামে লোক দেখানো সংলাপ করা হচ্ছে না। ঐক্যফ্রন্ট ও যুক্তফ্রন্টের পর এবার সংলাপে বসতে চায় আরও ৩২ দল। এ সংলাপের পেছনে নির্বাচন বানচালের মতো যে কোনও অপতৎপরতার বিষয়ে আমরা সতর্ক আছি। সংলাপের পাশাপাশি কেউ নাশকতার পরিকল্পনা করলে তা প্রতিহত করবে।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য ও বাণিজ্য মন্ত্রী তোফায়েল আহমেদ, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য বেগম মতিয়া চৌধুরী, মোহাম্মদ নাসিম, অ্যাডভোটেক সাহারা খাতুন, নুরুল ইসলাম নাহিদ, ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খান, দলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল-আলম হানিফ, ডা. দীপু মণি, জাহাঙ্গীর কবীর নানক, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক আফম বাহাউদ্দিন নাছিম, একেএম এনামুল হক শামীম প্রমুখ।

এর আগে সকাল ৭টার দিকে চার নেতাকে স্মরণে ধানমন্ডিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং কিছুক্ষণ নীরবতা পালন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। এছাড়া দিনটি উপলক্ষ্যে সকাল ৬টায় বঙ্গবন্ধু ভবন ও দলের কেন্দ্রীয় কার্যালয়সহ সারা দেশের দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা অর্ধনমিতকরণ, কালো পতাকা উত্তোলন এবং কালো ব্যাজ ধারণ করা হয় আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে। এছাড়াও সকাল ৭টায় বঙ্গবন্ধু ভবনে জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করা হয়। 

এরপর সকাল ৮টায় বনানী কবরস্থানে ১৫ আগস্টের কালরাত্রিতে শহীদ ও ৩ নভেম্বর কারাগারে নির্মমভাবে নিহত জাতীয় নেতাদের সমাধিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ফাতেহা পাঠ, মিলাদ মাহফিল ও মোনাজাত করা হয়েছে।