সমাবেশ করার জন্য ঐক্যফ্রন্টকে দেওয়া ডিএমপির ২৪ শর্তের মধ্যে রয়েছে-
১. এই অনুমতিপত্র স্থান ব্যবহারের অনুমতি নয়, স্থান ব্যবহারের জন্য অবশ্যই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের নিকট থেকে অনুমোদন নিতে হবে।
২. স্থান ব্যবহারের অনুমতিপত্রে উল্লেখিত শর্তাবলী যথাযথভাবে পালন করতে হবে।
৩. প্রশাসনিক কাজের স্বার্থে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কোনও সদস্য অনুমতিপত্র দেখতে চাইলে প্রদর্শন করতে বাধ্য থাকবেন।
৪. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অভ্যন্তরে জনসভার যাবতীয় কার্যক্রম সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।
৫. নিরাপত্তা ও শৃঙঙ্খলা নিশ্চিত কল্পে নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় পর্যাপ্ত স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করতে হবে।
৬. স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় জনসভাস্থলের অভ্যন্তরে ও বাইরে উন্নত রেজুলেশনযুক্ত সিসি ক্যামেরা স্থাপন করতে হবে।
৭. নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় প্রতিটি প্রবেশগেটে আর্চওয়ে স্থাপন করতে হবে এবং জনসভায় আগতদের হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে চেকিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে।
৮. নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় ভেহিক্যাল স্ক্যানার বা সার্চ মিররের মাধ্যমে জনসভাস্থলে আগত সকল যানবাহন তল্লাশির ব্যবস্থা করতে হবে।
৯. নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় জনসভাস্থলে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রাখতে হবে।
১০. বিকাল ৫টার মধ্যে জনসভার যাবতীয় কার্যক্রম শেষ করতে হবে।
১১. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বাইরে সাউন্ডবক্স ব্যবহার করা যাবে না।
১২. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের বাইরে বা সড়কের পাশে প্রজেক্টর স্থাপন করা যাবে না।
১৩. সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের অভ্যন্তরে কোনও স্থাপনা কিংবা বৃক্ষরাজির কোনও ক্ষতিসাধন করা যাবে না।
১৪. আযান, নামাজ ও অন্যান্য ধর্মীয় সংবেদনশীল সময়ে মাইক বা শব্দযন্ত্র ব্যবহার করা যাবে না।
১৫. জনসভার কার্যক্রম ব্যতিত মঞ্চকে অন্য কোনও কাজে ব্যবহার করা যাবে না।
১৬. জনসভা শুরুর দুই ঘণ্টা পূর্বে লোকজন জনসভাস্থলে আসতে পারবে।
১৭. কোনও ধরনের লাঠি-সোটা, ব্যানার-ফেস্টুন বহনের আড়ালে লাঠি, রড ব্যবহার করা যাবে না।
১৮. মিছিল সহকারে জনসভাস্থলে আসা যাবে না।
১৯. অনুমোদিত সময়ের পূর্বে কিংবা পরে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের আশপাশসহ রাস্তায় কোনও অবস্থাতেই সববেত হওয়াসহ যান ও জনচলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করা যাবে না।
২০. উস্কানীমূলক কোনও বক্তব্য প্রদান বা প্রচারপত্র বিলি করা যাবে না।
২১. ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে এমন কোনও বিষয়ে ব্যঙ্গচিত্র প্রদর্শন, বক্তব্য প্রদান বা প্রচার করা যাবে না।
২২. আইনশৃঙ্খলা পরিপন্থী , জনস্বার্থ, রাষ্ট্র ও সরকারবিরোধী কার্যকলাপ ও বক্তব্য প্রদান করা যাবে না।
২৩. উল্লেখিত শর্তাবলী যথাযথভাবে পালন না করলে তাৎক্ষণিকভাবে এই অনুমতির আদেশ বাতিল বলে গণ্য হবে।
২৪. জনস্বর্থে কর্তৃপক্ষ কোনও কারণ দর্শানো ব্যতিরেকে উক্ত অনুমতি আদেশ বাতিল করার ক্ষমতা সংরক্ষণ করেন।