প্রধানমন্ত্রী শুধু একাত্তরের শহীদদের মুক্তিযোদ্ধা মনে করেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ। তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শুধু একাত্তরের শহীদদের মুক্তিযোদ্ধা মনে করেন। জীবিত মুক্তিযোদ্ধাদের কোনও মূল্যায়ন করা হচ্ছে না।’
শনিবার (২৪ নভেম্বর) জাতীয় প্রেসক্লাবের ভিআইপি লাউঞ্জে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী মুক্তিযোদ্ধা দলের আয়োজিত ‘৭১-এর মুক্তিযুদ্ধ ও আজকের বাংলাদেশ, আসন্ন নির্বাচনে রণাঙ্গনের মুক্তিযোদ্ধাদের প্রত্যাশা এবং করণীয়’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন তিনি।
এসময় ডিজিটাল আইনের ব্যাপারে তিনি বলেন, ‘বর্তমানে সংবাদকর্মীদের গলা চেপে রাখা হয়েছে ডিজিটাল আইনের মাধ্যমে। আমরা ক্ষমতায় গেলে এই ডিজিটাল আইন সংশোধন করা হবে। আমরা ক্ষমতায় গেলে সরকারি কর্মকর্তাদের কোনও নির্যাতন করা হবে না। কারণ তারা বাধ্যগত কর্মকর্তা হিসেবে চাকরি করেন।’
আলোচনা সভায় গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন,‘নির্বাচনের সময় আমি কোনও মুক্তিযোদ্ধার মুখে শুনতে চাই না যে, মাঠে পুলিশ আছে বলে আমরা যেতে পারছি না। কত লাখ পুলিশ এখানে আছে? আমাদের পক্ষে জনগণ আছে ১৮ কোটি। আমরা যেসব সমাবেশ করেছিলাম, সব জায়গায় পুলিশ রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছিল। তবুও হেঁটে গিয়ে মানুষ সমাবেশে অংশগ্রহণ করেছে।’
এসময় নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘আমরা নির্বাচনে অংশ নেব আন্দোলন বা লড়াইয়ের অংশ হিসেবে। বেগম জিয়াকে কারাগারে রেখে নির্বাচন গ্রহণযোগ্য হতে পারে না। তবুও আমরা নির্বাচনে অংশগ্রহণ করবো আমাদের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে।
ইশতিয়াক আজিজ জুলফাতের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমেদ, কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) সৈয়দ মুহম্মদ ইব্রাহিম, নাগরিক ঐক্যের নঈম জাহাঙ্গীর, কর্নেল (অব.) মনির দেওয়ান প্রমুখ।