শনিবার (২৯ জুন) বিকালে বি চৌধুরীর প্রেস সেক্রেটারি জাহাঙ্গীর আলমের সই করা এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।
বিবৃতিতে বি চৌধুরী জানিয়েছেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে তার মুখোমুখি কথা হয় না বলে এ চিঠি দিলেন।
‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে খোলা চিঠি’-তে বিকল্পধারার সভাপতি বলেন, আমাদের দেশের ৫ ভাগের ১ ভাগ মানুষ প্রবীণ। তাদের অবদান সমাজ ও রাষ্ট্রে কতটা তা সিরিয়াসলি আমাদের ভাবতে হবে। রাষ্ট্র, সমাজ কেউ এ ব্যাপারে দায়িত্ব এড়াতে পারে।
তিনি জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের নানা অবদানের কথা তুলে ধরে বলেন, আমাদের দেশে ৬০ বছর পার হলেই কতগুলো মারাত্মক ব্যাধি আক্রমণ করতে পারে। কম বয়সীদের তুলনায় বয়স্করা ১ হাজার ৫২০ গুণ বেশি ঝুঁকিতে থাকেন। অথচ চিকিৎসা অত্যন্ত ব্যয়সাধ্য।
খ্যাতনামা এই চিকিৎসক জানান, বৃদ্ধদের প্রায়ই একাকিত্বের অভিশাপে ভুগতে হয়। এর সঙ্গে যুক্ত হয় বিষণ্নতা, যার চিকিৎসা দরকার। এসব সমস্যার সমাধান মোটেই সহজ নয়। উন্নত দেশগুলোতে সমাজ ও রাষ্ট্র এই দায়িত্ব নেয়।
চিঠিতে প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করে বি চৌধুরী বলেন, আমরা তো উন্নত দেশের দিকে দ্রুত এগিয়ে যাচ্ছি, তাহলে আমরা কেন এ দায়িত্ব নেবো না?
ভারতে ব্যক্তিগত আয়করের তিনটি শ্রেণি থাকার উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ‘অন্য দেশের যা কিছু ভালো তা অনুসরণে কোনও লজ্জা নেই। ভালো জিনিসকেই তো অনুসরণ করতে হয়।’
জ্যেষ্ঠ নাগরিকদের প্রসঙ্গে বি চৌধুরী বলেন, ‘এই ক্যাটাগরির শিক্ষক, চিকিৎসক, সাংবাদিক, আইনজ্ঞ, শিল্পী, প্রকৌশলীসহ পেশাজীবীদের কথা অবশ্যই স্মরণ রাখতে হবে। যৌবনে এবং পরবর্তী পর্যায়ে সমাজ ও রাষ্ট্রকে তারা যা দিয়েছেন জীবন হেমন্তে তার প্রতিদান কি তারা আশা করতে পারেন না?’