রাশেদ খান মেনন বলেন, ‘স্বাস্থ্যমন্ত্রী ডেঙ্গুতে মৃত্যুর হারকে পাশের দেশগুলোর সঙ্গে তুলনা করেছেন। মনে হয়, দেশের মানুষের মৃত্যু তার কাছে কিছু নয়। আবার স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মশার ওষুধের কার্যকারিতা নিয়ে সাফাই গেয়েছেন। অথচ সেতুমন্ত্রী-অর্থমন্ত্রী উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ডেঙ্গু-বন্যা মোকাবিলায় ঊর্ধতন কর্মকর্তাদের নিয়ে সমন্বয় সভা করেছে। তারপরও গবুচন্দ্র এই মেয়র-মন্ত্রীদের জন্যই মশক-নিধন ডেঙ্গু নিয়ে এই ল্যাজেগোবরে অবস্থা।’
মেনন বলেন, ‘‘ডেঙ্গু নিয়ে মানুষের ত্রাহী অবস্থায় তাদের পাশে দাঁড়ানো যুব সমাজের কর্তব্য। এদেশের অতীত ইতিহাসে বন্যা, কলেরা মহামারি, দুর্ভিক্ষাবস্থায় যুবক রাজনৈতিককর্মীরাই তাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। যারা ‘বঙ্গবন্ধু’ বলতে অজ্ঞান হয়ে পড়ছেন, তাদের জীবন থেকে এ শিক্ষা নিলে দেশের মানুষের উপকার হবে।’’
ডেঙ্গুবিরোধী জনসচেতনতা র্যারি সেগুনবাগিচা-শিল্পকলা অ্যাকাডেমি-জাতীয় প্রেসক্লাব-পল্টন এসে শেষ হয়।
যুব মৈত্রীর সহ-সভাপতি তৌহিদুর রহমানের সভাপতিত্বে আরও উপস্থিত ছিলেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মুতাসিম বিল্লাহ সানী, সহ-সভাপতি আব্দুল আহাদ মিনার, তাপস দাস, মিজানুর রহমান, সুমন প্রমুখ।