বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ বলেন, বিগত সিটি নির্বাচনে সরকারি দল ফেল করেছে। পৌর নির্বাচন সরকারের জন্য অগ্নিপরীক্ষা। এতে পাস করলে দেশে গণতন্ত্র ফিরে আসবে।
মওদুদ আহমদ বলেন, রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা মনে করছেন- পৌর নির্বাচনও সিটি নির্বাচনের মতো হবে। সরকার প্রশাসনের ধারায় নির্বাচন করবে, এতে নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নেই। তারা সরকারের আজ্ঞাবহ হয়ে কাজ করছে। সরকার যা চায় তাই হবে। তারা সুষ্ঠু নির্বাচনের কথা বললেও আসলে তারা কারচুপি করে জয়লাভ করবে।
ঐক্যের আহ্বান জানিয়ে মওদুদ আহমদ বলেন, পুলিশ-র্যাব দিয়ে জঙ্গি-সন্ত্রাস দমন করা সম্ভব নয়। সরকারের উচিৎ হবে সব রাজনৈতিক দলগুলোকে একত্র করে জাতীয় ঐক্যের মাধ্যমে মোকাবেলা করা, গণতন্ত্র ফিরিয়ে দেওয়া। আর এটিই একমাত্র পথ। অন্যথায় শুধু সরকার বা বিএনপিই নয় সারাদেশ ক্ষতিগ্রস্ত হবে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান বলেন, মুক্তিযোদ্ধার সন্তান হলেই মুক্তিযুদ্ধে প্রজন্ম হওয়া যায় না, সত্যিকার মুক্তিযুদ্ধের প্রজন্ম হতে হলে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শকে ধারণ করতে হবে। এ সময় তিনি সরকারের সমালোচনা করে বলেন, আওয়ামী লীগ বিনা ভোটে ক্ষমতা গ্রহণ করে বিএনপিকে নির্মূলের চেষ্টা করছে। মুক্তিযোদ্ধরা এই উদ্দেশ্য দেশ স্বাধীন করে নাই।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান সেলিমা রহমানের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ভিসি অধ্যাপক এমাজউদ্দীন আহমদ, অর্থনীতিবিদ মাহবুব উল্লাহ প্রমুখ। এছাড়া উপস্থিত ছিলেন বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা শামসুজ্জামান দুদু, যুব বিষয়ক সম্পাদক সৈয়দ মোয়াজ্জেম হোসেন আলাল, সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম আজাদ, সহ-দফতর সম্পাদক আসাদুল করিম শাহীন, শামীমুর রহমান শামীম, মহিলা দলের সভাপতি নূরী আরা সাফা, সাধারণ সম্পাদক শিরিন সুলতানা প্রমুখ।
/সিএ/এএইচ/