দুই নেতা বলেন, ‘বাঙালির আন্দোলন-সংগ্রামের মানস গঠনে সংবাদপত্রের তাৎপর্যপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে কোনও -কোনও ক্ষেত্রে বর্তমানে অদৃশ্য চাপের কারণে সংবাদপত্র যথাযথ ভূমিকা রাখতে না পারলেও সংবাদপত্রের অপরিহার্যতা অস্বীকার করা যায় না। ভবিষ্যৎ গণতান্ত্রিক ও মানবিক বাংলাদেশ বিনির্মাণে সংবাদপত্রের ভূমিকা অনিবার্য। উপরন্তু সংবাদপত্র আমাদের নিত্যদিনের চেতনার সঙ্গী।’
করোনা পরিস্থিতিতে পত্রিকাগুলোর বিজ্ঞাপন শূন্যের কোঠায় নেমে এসেছে উল্লেখ করে তারা বলেন, পত্রিকার গ্রাহক ব্যাপকভাবে কমে যাচ্ছে। সংবাদপত্রে কর্মরত সাংবাদিকরা কর্মহীন হয়ে পড়ছেন। কোনও-কোনও পত্রিকার প্রিন্ট ভার্সন বন্ধ হয়ে গেছে। সংবাদপত্র মালিকদের সংগঠন নোয়াব এই খাতে সরকারের নিকট প্রণোদনাও চেয়েছে। শিল্পটিকে বাঁচিয়ে রাখার স্বার্থে সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তারা।