পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ২০১৫ সালের অক্টোবরে একবার ‘স্ট্রোক’ করার পর থেকেই একরকম অসুস্থ জীবনের মধ্যে দিয়ে যাচ্ছিলেন কোরেশী। সোমবার দুপুরে আবারও ‘স্ট্রোক’ হওয়ার পর তাকে আর বাঁচানো যায়নি। তিনি দুই মেয়ে ও এক ছেলে রেখে গেছেন।
সোমবার বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জানাজা শেষে ফেনীর দাগুনভূঁইয়ায় গ্রামের বাড়িতে পারিবারিক কবরস্থানে তাকে দাফন করার উদ্দেশ্যে নেওয়া হয়।
কোরেশীর মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করেছেন ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী।
উল্লেখ্য, ষাটের দশকে অবিভক্ত পাকিস্তান ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন কোরেশী। ১৯৬১ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি নির্বাচিত হন তিনি। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মুক্তাঞ্চল থেকে মুক্তিযুদ্ধের মূখপাত্র হিসেবে ‘দেশবাংলা’ পত্রিকা প্রকাশ করেন তিনি। ১৯৭৮ সালে বিএনপি গঠিত হওয়ার পর ফেরদৌস আহমেদ কোরেশী দলটির প্রথম যুগ্ম মহাসচিব হন।