এবার দলীয় পদ স্থগিত হাসনাত আবদুল্লাহর প্রতিদ্বন্দ্বী সেই প্রার্থীর

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে গণঅধিকার পরিষদের (জিওপি) প্রার্থী এবং দলের কুমিল্লা জেলা শাখার সাবেক ত্রাণ ও দুর্যোগ বিষয়ক সম্পাদক মো. আ. জসিম উদ্দিনের পদ স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে কেন স্থায়ী সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (৬ অক্টোবর) দলের দফতর সম্পাদক ইঞ্জিনিয়ার সৈয়দ মাহবুবুর রহমানের সই করা এক নোটিশে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।

নোটিশে বলা হয়েছে, জসিম উদ্দিনের বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কেন্দ্রীয় সভাপতি নুরুল হক নূর ও ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক হাসান আল মামুনের নির্দেশক্রমে তার সদস্যপদ স্থগিত করা হয়েছে।

নোটিশে আরও বলা হয়, তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগের বিষয়ে লিখিত বক্তব্য আগামী পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে দলের কেন্দ্রীয় দফতরে জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে জবাব দিতে ব্যর্থ হলে বা জবাব সন্তোষজনক না হলে তার বিরুদ্ধে সাংগঠনিকভাবে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কুমিল্লা-৪ (দেবীদ্বার) আসনে ঋণখেলাপি হওয়ার তথ্য গোপন করে বিএনপির প্রার্থীর প্রার্থিতা বাতিল হলে আলোচনায় আসেন জোটের একমাত্র প্রার্থী মো. আ. জসিম উদ্দিন। একপর্যায়ে বিএনপিরও সমর্থন পান তিনি। একইসঙ্গে প্রার্থিতা হারানো সাবেক চারবারের সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সীও তাকে সমর্থন দিয়ে মাঠে নির্বাচনি প্রচারণা চালান।

তবে শেষ পর্যন্ত জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১-দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের সমর্থনে এনসিপির দলীয় প্রতীক শাপলা কলি নিয়ে নির্বাচন করা হাসনাত আবদুল্লাহর কাছে বিপুল ভোটে পরাজিত হন তিনি। হাসনাত আবদুল্লাহ ভোট পান ১ লাখ ৬৬ হাজার ৫৮৩টি। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন বিএনপি-সমর্থিত গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী জসিম উদ্দিন। তিনি ট্রাক প্রতীকে ৪৯ হাজার ৮৮৫ ভোট পান।