প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার ধানমণ্ডি রাজনৈতিক কার্যালয়ের স্টাফ আলাউদ্দিনের মাধ্যমে একটি চেক ও কিছু নগদ টাকার মাধ্যমে সর্বমোট ৫৭ হাজার টাকা চাঁদা পরিশোধ করেন। পরে বুধবারই চাঁদা পরিশোধের প্রাপ্তি রশিদ আলাউদ্দিনের মাধ্যমে গণভবনে পৌঁছে দেওয়া হয়। তিনি জুলাই ২০১৬ পর্যন্ত চাঁদা পরিশোধ করেছেন।
জানা গেছে, রাষ্ট্রায়ত্ত সোনালী ব্যাংক সংসদ ভবন শাখার শেখ হাসিনার ব্যাংক হিসাবের একটি চেকে পঞ্চাশ হাজার ও নগদ সাত হাজার টাকা দফতর সম্পাদক আব্দুস সোবাহানের কাছে জমা দিয়ে শেখ হাসিনার পক্ষে আলাউদ্দিন চাঁদা পরিশোধ করেন।
এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে দপ্তর সম্পাদক আবদুস সোবহান গোলাপ দলীয় সভাপতির চাঁদা গ্রহণ করার কথা স্বীকার করেন।
গঠনতন্ত্র অনুযায়ী দলের প্রত্যেক প্রাথমিক সদস্য, কাউন্সিলর, কার্যনির্বাহী সংসদের সব কর্মকর্তা ও সদস্যের নির্দিষ্ট হারে মাসিক চাঁদা এবং জাতীয় সংসদে নির্বাচিত আওয়ামী লীগের প্রত্যেক সদস্যের মাসিক চাঁদার পরিমাণ ধার্য করা রয়েছে। অবশ্য কেউ চাইলে দলের ধার্য করা পরিমাণের বেশি চাঁদাও দলীয় তহবিলে জমা দিতে পারেন।
প্রসঙ্গত, বকেয়া চাঁদা পরিশোধ করা না হলে কাউন্সিলর তালিকায় নাম বাদ দেওয়া হয়। তালিকায় নাম রাখতে আসন্ন সম্মেলন উপলক্ষে দলের অন্য কেন্দ্রীয় নেতারা নিজেদের বকেয়া চাঁদা পরিশোধ করতে শুরু করেছেন। তবে আওয়ামী লীগের বেশির ভাগ কেন্দ্রীয় নেতা এখনও চাঁদা পরিশোধ করেননি।
আরও পড়ুন: চলচ্চিত্রের উন্নয়নে বিত্তবানদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
/এমও/এজে