শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ৭ দিনের কর্মসূচি

শেখ হাসিনাদলীয় সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ৭ দিনের কর্মসূচি নিয়েছে আওয়ামী লীগ। আগামী ১৭ মে শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের বিকেলে অনুষ্ঠিত হবে আলোচনা সভা। এরপর দলের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনগুলো ধারাবাহিক কর্মসূচি পালন করবে। তবে এবারের স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশে থাকছেন না।  ওই সময় তিনি উইমেন লিডারস ফোরামেঅংশ নিতে বুলগেরিয়ার উদ্দেশে যাত্রাকাকালে লন্ডনে অবস্থান করবেন। শনিবার সন্ধ্যায় আওয়ামী লীগের এক যৌথসভায় দলীয় সভাপতির স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবসের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়।
আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ধানমণ্ডির রাজনৈতিক কার্যালয়ে এ যৌথ সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ যৌথ সভায় আওয়ামী লীগের সহযোগী ও ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠনের নেতারা উপস্থিত ছিলেন। সভা শেষে আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন।
হানিফ বলেন, ৭৫ সালে ১৫ আগস্ট জাতির জনককে সপরিবারে হত্যা করার পর জিয়াউর রহমানের অপশাসনে দেশে রুদ্ধশ্বাস অবস্থা তৈরি হয়। ওই সময়ে আজকের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আওয়ামী লীগের সভাপতি হয়ে ১৯৮১ সালের ১৭ মে বাংলাদেশে প্রত্যাবর্তন করেছিলেন। তাই এ দিবসটি জাতির কাছে গুরুত্বপূর্ণ। দিবসটি যথাযথভাবে পালন করতে আমরা ৭ দিনের কর্মসূচি হাতে নিয়েছি।

এ কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে ১৭ মে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস এবং ৩৫ বছরের দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা নিয়ে আওয়ামী লীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা। এর পর ১৮ মে কৃষকলীগ, ১৯ মে স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ, ২০ মে স্বেচ্ছাসেবকলীগ, ২১ মে যুবলীগ, ২২ মে জাতীয় শ্রমিকলীগ এবং ২৩ মে ছাত্রলীগের উদ্যোগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে।

যৌথসভায় আরও উপস্থিত ছিলেন, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, কৃষিবিষয়ক সম্পাদক আব্দুর রাজ্জাক, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, কার্যনির্বাহী সদস্য পাট ও বস্ত্রপ্রতিমন্ত্রী মির্জা আজম, এসএম কামাল হোসেন, আমিনুল ইসলাম আমিন, আওয়ামী লীগ ঢাকা মহানগর উত্তরের সাধারণ সম্পাদক সাদেক খান প্রমুখ।

/ইএইচএস/এমএনএইচ/