‘ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের সম্পর্ক বায়বীয়’—খালেদা জিয়ার এমন বক্তব্যে ব্যাখ্যা দাবি করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে সম্পর্ক বায়বীয় নয়, খালেদা জিয়ার বক্তব্যই বায়বীয়। ভারতের সঙ্গে যেসব চুক্তি ও সমঝোতা স্মারক সই হয়েছে, তার সবগুলো জনগণের স্বার্থে ও কল্যাণেই হয়েছে। এগুলো জনগণের কাজেই লাগবে।’
খালেদা জিয়া জনগণকে বিভ্রান্ত করতে ভারত সফর নিয়ে সমালোচনা করছেন বলে মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘দিল্লি সফর নিয়ে বিএনপি নেত্রীর সমালোচনা জনগণকে বিভ্রান্ত করার প্রচেষ্টা ছাড়া আর কিছুই না।’
এর আগে বিকেলে বিএনপি চেয়ারপারন খালেদা জিয়া গুলশান কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের সমালোচনা করেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘ক্ষমতায় থাকতে ভারতের কাছ থেকে কোনও কিছু আদায় করতে না পারলেও আদায়কারীর ভূমিকা নিয়ে বিএনপি মিথ্যাচার করছে।’ তিনি বলেন, ‘জিয়া, এরশাদ, খালেদা জিয়া কেউই ছিটমহল, সমুদ্রসীমা বা তিস্তার পানি, কোনও কিছু নিয়েই ভারতের কাছে দাবি তোলার সাহস দেখাননি। ক্ষমতায় থাকতে খালেদা জিয়া ভারতের পদলেহন করতে এতই ব্যস্ত ছিলেন যে, দেশের সমস্যা নিয়ে কথা বলার সময়ই পাননি। আজ তিস্তা নিয়ে এত কথা বলেন, ক্ষমতায় থাকতে কেন একফোঁটাও পানি আনতে পারেননি?’
ভারত সফর থেকে শেখ হাসিনা খালি হাত ফিরেছেন বলে খালেদা জিয়ার দেওয়া বক্তব্যের জবাবে সরকার প্রধান বলেন, ‘আমরা ফকির নাকি যে, চাইতে যাব? আমরা দুই দেশের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপন করতে গিয়েছিলাম।’ তিনি বলেন, ‘২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে জনগণের সম্পৃক্ততা ছিল বলেই তারা শত চেষ্টা করে, জ্বালাও পোড়াও আর অগ্নি সংযোগ করেও আমাদের সরকারকে উৎখাত করতে পারেনি।’
/ইএইচএস/ এমএনএইচ/