ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘সাংগঠনিক ইউনিটগুলোয় বিদ্রোহীদের প্রার্থী হওয়ার ক্ষেত্রে কোনও বাধা নেই। তবে, কাউন্সিলররা তাদের কীভাবে নেবেন, সেটাই দেখার বিষয়।’ তিনি এও বলেন, ‘তাদের না আসাই ভালো। কারণ, তারা যদি নির্বাচিত হন, তাহলে আবারও অনেকেই বিদ্রোহী হতে উৎসাহিত হবেন।’
আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আগামী সম্মেলনগুলোয় যেন বিতর্কিতরা কমিটিতে জায়গা না পান। সত্যিকার অর্থে দলকে শুদ্ধ করতে চাই। দল থেকে দূষিত রক্ত বের করে দিতে হবে। বিশুদ্ধ রক্ত সঞ্চালন করতে হবে।’ তিনি বলেন, ‘সম্মেলনের জন্য কৃষক লীগ প্রস্তুত। ইতোমধ্যে তাদের পোস্টার ও দাওয়াত কার্ড হয়ে গেছে। নগরীতে পোস্টার লাগিয়ে সম্মেলনের আবহ সৃষ্টি করতে হবে। কৃষক লীগকে কৃষকদের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে। গ্রামবাংলায় ছড়িয়ে দিতে হবে।’
কৃষক লীগ নেতাদের উদ্দেশে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নেতৃত্বের প্রতিযোগিতা থাকা ভালো। অসুস্থ প্রতিযোগিতা যেন না হয়। কারও চরিত্র হরণ করা যাবে না। কাউকে ব্যক্তিগতভাবে আক্রমণ করা যাবে না। নিজের প্রচার করবেন কিন্তু অন্যের বিরুদ্ধে বিদ্বেষ ছড়াবেন না।’
এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব-উল আলম হানিফ, জাহাঙ্গীর কবির নানক, দফতর সম্পাদক আব্দুস সোবহান, কৃষক লীগের সভাপতি মোতাহার হোসেন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট খন্দকার শামসুল হক রেজা প্রমুখ।