আগামী ১১ নভেম্বর যুবলীগ প্রতিষ্ঠার ৫০ বছর পূর্তি ও সুবর্ণজয়ন্তীর দিন ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে যুব মহাসমাবেশ করবে আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনটি। এতে ১০ লাখ জমায়েতের লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী ব্যাপক প্রস্তুতি নিচ্ছে যুবলীগ। সবশেষ আজ শনিবার (৫ নভেম্বর) সমাবেশস্থল পরিদর্শন করেছেন আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতারা।
এদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানের সমাবেশস্থল পরিদর্শনে যাবেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানক ও সাংগঠনিক সম্পাদক মির্জা আজমের নেতৃত্ব দলটির নেতারা। জাহাঙ্গীর কবির নানক যুব মহাসমাবেশের মঞ্চ ও সাজসজ্জা উপকমিটির আহ্বায়ক ও মির্জা আজম সদস্য সচিব। তারা যুবলীগের সমাবেশের মঞ্চ ও সাজসজ্জার বিষয়ে খোঁজখবর নেবেন। এ সময় যুবলীগের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।
যুবলীগ জানিয়েছে, এই যুব মহাসমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে সশরীরে উপস্থিত হয়ে নেতার্মীদের দিক-নির্দেশামূলক 'নতুন বার্তা' দেবেন প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা। এ সমাবেশে ১০ লাখ জমায়েত করার পরিকল্পনা করে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
জানা গেছে, বিভাগীয় শহরগুলোতে বড় সমাবেশের পর আগামী ১০ ডিসেম্বর রাজধানীতে মহাসমাবেশ করতে চায় বিএনপি। এর বিপরীতে ১১ নভেম্বর যুব মহাসমাবেশ করে শক্তির আগাম জানান দিবে যুবলীগ। সমাবেশে আওয়ামী লীগ প্রধানের বার্তা নিয়ে কেন্দ্র থেকে ইউনিট পর্যন্ত নতুন করে সংগঠিত হয়ে সতর্ক অবস্থান নেবে সরকারি দল ও অঙ্গ-সহযোগী সংগঠনের মেতাকর্মীরা। মহাসমাবেশে রাজধানীর প্রতিটি থানা থেকে শুরু করে ওয়ার্ড-ইউনিট পর্যন্ত কমিটি-ভিত্তিক বড় জমায়েত করতে বলা হয়েছে।